| রবিবার, ২২ মে ২০২২ | প্রিন্ট | ৩২৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
দ্বিত্ব শুভ্রা’র কবিতা ‘হারবার স্ট্রিটগুলোর প্রতি অভিনন্দন’
উজ্জ্বলতার কিনারে দাঁড়িয়েছিলাম
শালিকের ঠোঁটের মতো পাতায় হলুদ রৌদ্র
খুঁটে খাওয়া ধান ছড়ানো উঠানময়
আমাদের চড়ুই চোখ টুপটাপ খোঁজে সুখশ্রী।
কণাকণা আলোগান
পাথরের আড়ালে বাগান
ভঙ্গুর দিনের শেষে
বুকখোলা শ্বাস
হয় কদাচিত।
তবু সেই ভরাপ্রাণ শ্বাস
স্মৃতিতে কাতর দিনে
তারুণ্যের সবুজ ফল যেন
আবারও জেগে উঠবার উদ্দীপনা।
জল ফেলে উড়াল দেয়া
শাদা পালকের হাঁস
যদি কল্পনা করে নিতে পারো
তুমি নাচছো পৃথিবী মঞ্চে
কত্থককলা
কিছু পাঠ শিখে নিতেই হয়
যেহেতু হাঁটছো সমাধিফলকের বাইরে
চুপ থাকা যায়না কিছুতেই
কোন ঘোড়া দরজায়
ক্ষুর দিয়ে অনবরত দাপায়।
তুমি কি ঐ শোনাটা অস্বীকার করতে পারো?
মনের পেন্ডুলাম
ঐ ফিসফিস শব্দ!
ওঠো! ওঠো!
টেবিলে বাজে ক্রিং ক্রিং
ফোনের এপাশে ওপাশে
তুমি ও তুমি।
যাওয়ার আহ্বান
ফিরবার আহ্বান
ঘরের ভেতর সময় কাঁপছে
ঘরের বাইরে সময় কাঁপছে
ছিঁড়ছে আমাদের জীবনীলেখার পাতলা কাগজ।
সুঁতোয় সুঁতোয় পেঁচিয়ে একদিন ফোটে ফুল।
আবার ছত্রভঙ্গ হই
শুনতে পাইনা বেল বাজার আওয়াজ
খারাপ রাখার যুদ্ধ আবিশ্ব
মেরামতহীন দেয়ালগুলো একচোখা
বুকের তলা, পায়ের তলার সিঁড়ি ভাঙা
যে যুদ্ধ তোমার শুরু করা নয়
তাই নিয়ে জন্মলদ্ধ সংগ্রাম
আহাজারি, আর্তনাদের চিৎকার
আর বাঁচবার লড়াই নয়!
কোন ধ্বংস ডাকার আগে
আত্মহননের দড়ি টানবার আগে
জাগা উজ্জ্বলতম প্রশ্ন
কী অদ্ভুত কাজ করছো?
কাছেই ঝাপসা পৃথিবী
দুটো স্লিপার টানতে থাকে ভোর।