বুধবার ২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

বিদেশে থাকা সম্পদের ঘোষণা না দিলে শাস্তি

অর্থনীতি ডেস্ক   |   বুধবার, ২৯ জুন ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ৮৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

বিদেশে থাকা সম্পদের ঘোষণা না দিলে শাস্তি

সংগৃহিত ছবি

২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে দেশের করদাতাদের বিদেশে থাকা স্থাবর, অস্থাবর সম্পদ বিনা প্রশ্নে আয়কর রিটার্নে দেখানো ও দেশে আনার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। যাকে বলা হচ্ছে পাচার করা অর্থের বৈধতার দায়মুক্তি। গত ৯ জুন জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট পেশের সময় অর্থমন্ত্রী এ সুযোগ দেন। এবার বাজেট পাশের সময় সরকার বিদেশে যাঁদের সম্পদ রয়েছে, তাঁদের জন্য শাস্তির উদ্যোগও নিচ্ছে। জানা গেছে, কারও যদি বিদেশে সম্পদ থাকে এবং তিনি আয়কর রিটার্নে উল্লেখ না করেন আর সরকার সেটি জানতে পারলে বিদেশে থাকা সম্পদের সমপরিমাণ জরিমানা করা হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্নিষ্ট করদাতার দেশে থাকা যে কোনো সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে জরিমানা আদায় করা হবে।
সংশ্নিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিদেশে গোপন সম্পদের মালিক করদাতাদের জন্য এমন বিধান যুক্ত করে আজ বুধবার জাতীয় সংসদে অর্থ আইন পাস করার প্রস্তাব করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। একই সঙ্গে বিদেশে থাকা সম্পদ আয়কর রিটার্নে প্রদর্শনের সুবিধা বাড়ানোরও প্রস্তাব করবেন। বাজেট প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বিদেশে থাকা অস্থাবর সম্পদ দেশে না এনে শুধু আয়কর রিটার্নে দেখানো হলে ১০ শতাংশ কর দিতে হবে। জানা গেছে, এই কর হার কমিয়ে ৭ শতাংশ করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেউ বিদেশে থাকা সম্পদ না দেখালে তা খুঁজে বের করে কর বা জরিমানা আদায় করা বেশ কঠিন। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সমন্বিতভাবে চেষ্টা করলে অসম্ভব নয়। প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়েছে, করদাতারা তাঁদের বিদেশে থাকা স্থাবর সম্পদ ১৫ শতাংশ ও অস্থাবর সম্পদ ১০ শতাংশ কর দিয়ে আয়কর রিটার্নে প্রদর্শন করতে পারবেন। আর কোনো করদাতা বিদেশ থেকে সম্পদ দেশে নিয়ে এলে তাঁকে কর দিতে হবে মাত্র ৭ শতাংশ। ওই সম্পদ করদাতা কীভাবে অর্জন করেছেন, তা নিয়ে কর কর্তৃপক্ষসহ অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের প্রশ্ন তুলবে না। সরকারের এ উদ্যোগ নিয়ে অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ীসহ সব পক্ষ সমালোচনা করেছে। তাঁরা বলেছেন, এতে বিদেশে সম্পদ পাচার ও দুর্নীতি উৎসাহিত হবে। কেননা দেশে একজন ব্যক্তি করদাতার সর্বোচ্চ কর হার ২৫ শতাংশ। তিনি যদি পাচার করে ওই সম্পদ দেশে আনেন, তাতে মাত্র ৭ শতাংশ কর দিতে হবে। আবার ওই সম্পদের উৎস কী, তাও জানানোর প্রয়োজন হবে না।

এদিকে, হ্রাসকৃত হারে করপোরেট কর পরিশোধ করার যে শর্ত বাজেটে প্রস্তাব করা হয়েছে, সেখানেও সামান্য পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানা গেছে। প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়েছে, হ্রাসকৃত করপোরেট কর সুবিধা পেতে প্রতিষ্ঠানের নগদ লেনদেন হবে বছরে সর্বোচ্চ ১২ লাখ টাকা। জানা গেছে, এই শর্ত শিথিল করে নগদ লেনদেন বছরে কমপক্ষে ৩৬ লাখ টাকা বা তার বেশি করার প্রস্তাব করবেন অর্থমন্ত্রী।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office