অর্থনীতি ডেস্ক | সোমবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৩ | প্রিন্ট | ৬৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সংগৃহীত ছবি
৮৩ বছরের পুরোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান কেরু অ্যান্ড কোম্পানির সুগার ইউনিট প্রতিস্থাপন, চিনিকলটির বর্তমান আখ মাড়াই এবং চিনি উৎপাদন ক্ষমতা সংরক্ষণ করা হবে। মাড়াই ও প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্রপাতি আধুনিকীকরণের মাধ্যমে প্রসেস লস ন্যূনতম পর্যায়ে হ্রাসকরণ করা হবে। এজন্য উন্নয়ন ব্যয় বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১০২ কোটি টাকা।
‘বিএমআর অব কেরু অ্যান্ড কোং (বিডি) লিমিটেড (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের সময় ও ব্যয়ও বৃদ্ধি করা হবে।
মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হবে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় সভাপতিত্ব করবেন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন মূল অনুমোদিত প্রকল্পটি ৪৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়ন শুরু করে। এরপর নতুন করে ১০২ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে।
২০১২ সালের জুলাই হতে ২০১৪ সালের জুন মেয়াদে প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হওয়ার কথা থাকলেও এখন মেয়াদ বাড়ছে ২০২৩ সাল পর্যন্ত।
প্রকল্প এলাকা: চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলা।
প্রধান কার্যক্রম: ৪০ মেট্রিকটন স্টিম উৎপাদন ক্ষমতার একটি বয়লার স্থাপন, দুই মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি পাওয়ার টারবাইন স্থাপন, বয়লিং হাউজের চারটি মাল্টিপল ইফেক্ট ইভাপরেটর, একটি রোটারি ভ্যাকুয়াম ফিল্টার, তিনটি প্যান, একটি ক্লারিফায়ার, সুগার ড্রায়ার ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি স্থাপন এবং একটি পূর্ণাঙ্গ মিল হাউজ স্থাপন।
প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির কারণ: নতুন মিল হাউজ স্থাপন, বয়লার, পাওয়ার টারবাইন ও বয়লার হাউজ নির্মাণের অবশিষ্ট কাজ সম্পাদন ও ট্রায়াল রানের জন্য প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। মে ২০২৩ তারিখের মধ্যে ট্রায়াল রান ব্যতীত সব কাজ সম্পন্ন হবে। ভৌতকাজ শেষে ২০২৩-২৪ মাড়াই মৌসুমে ট্রায়াল রান সম্ভব হবে। এ কারণে প্রকল্পের মেয়াদ দুই বছর বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশন জানায়, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চিনিকলটির আখ মাড়াই ও চিনি উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। আখ মাড়াই ও প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্রপাতি আধুনিকীকরণের মাধ্যমে চিনিকলের প্রসেস লস ন্যূনতম পর্যায়ে হ্রাস করা সম্ভব হবে। ফলে জনসাধারণের কর্মসংস্থানের সুযোগসহ বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রসার ঘটবে।