বৃহস্পতিবার ২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

চীনের ৩ চেম্বারের সঙ্গে ডিসিসিআই’র চুক্তি, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে জোর

বিজ্ঞপ্তি   |   শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১০ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

চীনের ৩ চেম্বারের সঙ্গে ডিসিসিআই’র চুক্তি, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে জোর

বাংলাদেশ ও চীনের উদ্যোক্তাদের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও ব্যবসায়িক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং চীনের তিনটি প্রধান চেম্বারের মধ্যে সহযোগিতা স্মারক সই হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) চীনের গুয়াংডং-তে এই চুক্তি সই হয়। ডিসিসিআই’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সহযোগিতা স্মারকে স্বাক্ষরকারী চীনের বাণিজ্য সংগঠনগুলো হলো- ‘গুয়াংডং চেম্বার অব কমার্স অব ইমপোর্টার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স (জিডিসিসিআইই)’, ‘চায়না চেম্বার অব কমার্স ফর ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট অব মেশিনারি অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টস (সিসিসিএমই)’ এবং ‘গুয়াংজু চেম্বার অব কমার্স ফর আউটবাউন্ড বিজনেস’।

ডিসিসিআই’র ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী এবং চীনের চেম্বারগুলোর ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সহযোগিতা স্মারকে সই করেন।

এছাড়াও বর্তমানে চীন সফরকারী ঢাকা চেম্বারের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা শনিবার (১৮ এপ্রিল) চায়না ফরেন ট্রেড সেন্টারে অনুষ্ঠিত ১৩৯তম ক্যান্টন ফোয়ারের ট্রেড ব্রিজ-বাংলাদেশ ম্যাচমেকিং ইভেন্ট’ অংশ নিয়ে প্রায় ২৭০টি চীনা কোম্পানির সঙ্গে বিটুবি সেশনে বাণিজ্যিক তথ্য আদান-প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানের নির্ধারিত বাণিজ্য আলোচনা সেশনে ডিসিসিআই’র ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী বলেন, চীন বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম চালিকা শক্তি ও বিভিন্ন পণ্যের শীর্ষ উৎপাদনকারী দেশ ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের আমদানির একটি বড় অংশ চীন, গত অর্থবছরে যার পরিমাণ ছিল প্রায় ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের পঞ্চম বৃহত্তম বৈদেশিক বিনিয়োগকারী দেশ হলো চীন এবং এরই মধ্যে চীনের উদ্যোক্তারা বিভিন্ন খাতে প্রায় ১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে। তিনি জানান, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জাহাজ নির্মাণ, অটোমোটিভ, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, সেমিকন্ডাক্টর এবং উচ্চ প্রযুক্তি শিল্পে দুই দেশের সহযোগিতা ও বিনিয়োগের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে স্টার্ট-আপ, ফিনটেক, এগ্রি-টেক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, বায়োটেকনোলজি, স্বাস্থ্যসেবা, ফার্মাসিউটিক্যাল এবং সাপ্লাইচেইনে প্রযুক্তির ব্যবহার ও উদ্ভাবনমূলক অংশীদারত্বের মাধ্যমে উভয় দেশের উদ্যোক্তারা উপকৃত হতে পারেন বলে তিনি অভিমত প্রকাশ করেন।

এ সময় সিসিপিআইটি’র পরিচালক কিউ জানান, চীনের নানশা প্রদেশটি ভৌগোলিকভাবে কৌশলগত স্থানে অবস্থান করছে এবং ২০২৫ সালে নানশার আঞ্চলিক জিডিপি ২৪০ বিলিয়ন ইউয়ান অতিক্রম করেছে। অটোমোবাইল, জাহাজ নির্মাণ, বায়োমেডিসিনে বিশেষায়িত শিল্প ক্লাস্টারে দুই দেশের উদ্যোক্তাদের যৌথ সহযোগিতার বেশ সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি মতপ্রকাশ করেন।

গুয়াংডং-এ উৎপাদিত পণ্য দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর বাজারে রপ্তানির প্রবেশাধিকারের জন্য বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে জানান গুয়াংডং চেম্বার অব কমার্স অব ইমপোর্টার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স-এর সভাপতি উ শাওওয়েই। এক্ষেত্রে দুই দেশের উদ্যোক্তাদের সম্পর্ক জোরদারের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

এবছর আয়োজিত ১৩৯তম ক্যান্টন ফেয়ার বৈশ্বিক উদ্যোক্তাদের সহযোগিতার অন্যতম কেন্দ্রস্থল হিসেবে উল্লেখ করে চায়না চেম্বার কমার্স ফর ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট অব মেশিনারি অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টস (সিসিসিএমই)-এর সহ-সভাপতি শি ইয়ংহং বলেন, বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের বিশেষ করে চীনের উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে এ মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office