| রবিবার, ১৮ জুলাই ২০২১ | প্রিন্ট | ৩২৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
যে মানব ভাবে জীবন টাই বিস্ময়কর। তার অন্য কিছুতে মন বসানোর সময় কোথায়—-? তাই কখনো কখনো জীবনের অভিনব অনুভূতি গুলো এক পাশে সরিয়ে রাখা যায় না। মনোজগতের মেঠোপথ ধরে এগিয়ে গিয়ে দেখতে হয় নদী কিভাবে মিশে গেছে বিশাল সমুদ্রের বন্ধনে। সস্নেহে অদৃশ্য সকল সমাচার মস্তিস্কে ধারন করাই একজন বিচক্ষণ মানবেরই কাজ। বিস্ময়কর এ পৃথিবীতে সূর্য উঠে ভোর হয়। আবার দূপুর গড়িয়ে গোধূলি পেরিয়ে নেমে আসে নিরব নিস্তব্ধ রাত। এ সকলের’ই জানা। তবে এর মধ্যে প্রাণ খুঁজে পায় ক’জন? পৃথিবীর বুকে ঘুমিয়ে থাকে প্রাণহীন সুউচ্চ পাহাড়, পর্বত। জলে পদ্মেরা শিকড় ছেড়ে বসতি দৃঢ় করে। পাখির পালক মজবুত করে তার ক্ষুদ্র যান্ত্রিক পাখা। রণতরী প্রহরায় থাকে সমুদ্র সীমানায়। তেজিঘোড়া বিশ্রামে যায় আগামী জয় যাত্রার আশায়। সকলেই নিজস্বতার রীতিমত করছে পালন। হ্যা, মানব জীবনের আলো প্রজ্জ্বলেনর জন্য মানবিকতার অর্ন্তনিহিত প্রকষ্টে প্রবিষ্ট হতে হয়। অভিনব দৃষ্টিতে উত্তেজনা কর প্রবল বঞ্চনায় তীব্র জড় প্রতিহত করতে পারলে ই মানব জীবন মধুরতম হয়। অগুনতি সব দূর্ভেদ্য দৃষ্টিকে খুঁজে ফিরতে মন চায়। কখনো আবার কিংকর্তব্য বিমুঢ় হয়ে যায় মন, যখন দেখতাম মানুষের বেসামাল চলাচল। এমন পরিস্থিতিতে কখনও সাচ্ছন্দ্য বোধ করতাম না। এখনো করি না। জীবন জগতের ভাল মন্দ গভীর ভাবে অনভূত হতো তবে, বরাবরই অনুভব মার্জিত,শালিনও বাহল্য বর্জিত এবং সংবেদনশীল। সাহিত্য আমার সাথী, সজনী আর এই সাহিত্যের কাছেই আমি অসংকোচে আমার পৃথিবী দেখার সকল বার্তা ব্যক্ত করি। গ্রীষ্মের দুপুরে খড় তাপেরও সুখ আছে। আছে বন্ধুত্বের সহচর্যে সুখ। কখনো আবার রাতের প্রাণ নিরবতায় হতাস। আছে একাকিত্বের সুখ-ভয়। মৃত্যু – বেদনা বোধ। যদিও এ সকলি মানবের জন্ম থেকে মৃত্যু অবদি। সুখ ও যাতনা ঘিরে অস্তিত্বের জানান দেয়। কষ্ট সর্বজনীন আর ভবিতব্য বা নিয়তি মানব জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সুখকে ঘিরে থাকে যেমন আনন্দের বার্তা। অনিঃশেষ বেদনা ঘিরে থাকে অপরিমেয় কষ্ট আর শূন্যতা। আবার ফিরে আসে আলোকিত নতুন সময় সুখের নীল যাতনা। সেচ্ছায় নির্বাসিত, নিসঃঙ্গতা মানব জীবন বোধে বেশ সাবধানী। একটুু খুঁতখুঁতে স্বভাবের হলেও অর্থবহ ও অবিকল শব্দ নির্বাচনে বেশ সাবধানতা অবলম্বনে সদা চেষ্টা সহজাত প্রবৃত্তি। অভিনব শব্দ চয়নে বেশ উৎসাহী। একারণে হয়তো টেবিলে ছড়িয়ে থাকে, কবিতা, গল্প,উপন্যাস, প্রবন্ধের অসমাপ্ত সোনালী শস্যে। ভাবনার ছেনি – বাটালি দিয়ে স্পষ্ট করে উজ্জ্বল ও আর্কষনীয় করে জীর্ন কে জীবন্ত চোখ মুখ এঁকে যাই আমি আমার কবিতা, গল্প উপন্যাস, আমার লেখায়। মরমিয়া চিন্তা ও অাধ্যাত্ম ভাবনা আমার সকীয়তায় সমুজ্জ্বল। পরম যত্নে জড়িয়ে থাকে মমচিত্তে সাহিত্যের প্রতিটি কর্নার। এমন নয় তা সকলের কাছে প্রিয় কারণ, প্রসব বেধনায় জন্মতো দিয়েছি আমি, আমার কাছে তা হিরা, জহুরীর চেয়ে দামী আমারই সাহিত্যের এই আঙ্গিনা খানি।