বৃহস্পতিবার ২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

সরি, আমি আসলে ওই রকমের মানুষই না: নিপুণ

অনলাইন ডেস্ক:   |   মঙ্গলবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ৯৯ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

সরি, আমি আসলে ওই রকমের মানুষই না: নিপুণ

নিপুণ ছবি : সংগৃহীত

গত ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে চূড়ান্ত ফলাফলে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হন জায়েদ খান। কিন্তু ভোটে অনিয়মের অভিযোগে আপিল বোর্ড তাঁর প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করে নিপুণকে জয়ী ঘোষণা করে। গতকাল সোমবার আপিল বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন হাইকোর্ট। নিপুণও সেটার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করে আজ মঙ্গলবার চেম্বার জজ আদালতে আপিল করেছেন। আগামীকাল হবে এর শুনানি। সেসব নিয়ে কথা বললেন নিপুণ।

উচ্চ আদালতের নির্দেশ তো জায়েদ খানের পক্ষে গেল।

আমরা আদালতকে সম্মান করি। তবে জায়েদ খানের বিপক্ষে অনেকগুলো অনিয়মের অভিযোগ আছে। সেগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনী আপিল বোর্ড জায়েদ খানের প্রার্থিতার ফলাফল বাতিল করেছে। ওই অভিযোগগুলো জায়েদ খান উচ্চ আদালতে উপস্থাপন করেননি। সেটা করলে ভিন্ন নির্দেশ আসত।

সেই নির্দেশের পরও আপনি চেম্বার জজ আদালত আবেদন করেছেন। কী প্রত্যাশা করছেন?

ভালো কিছুর প্রত্যাশা করি। কারণ, আমরা নির্বাচনে অনিয়মের প্রমাণ নিয়ে চেম্বার জজ আদালতে স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছি। আমার শতভাগের ওপরে বিশ্বাস, জিতব। কারণ, আমাদের পক্ষে রায়ের জন্য যেসব প্রমাণ দরকার, তার সবই আছে। কাল শুনানিতে সেসব উপস্থাপন করবেন আমাদের আইনজীবী।

nipon1

চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার ছবি : সংগৃহীত

এক সাক্ষাৎকারে জায়েদ খান বলেছেন, আপনি চক্রান্ত করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকে সরাতে চান।

আমি কেন তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করব? আমি কোনো অন্যায়, অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে শিল্পী সমিতির নির্বাচনে জেতার চেষ্টা করিনি। সরি, আমি আসলে ওই রকমের মানুষই না। যদি এ কথা তিনি বলে থাকেন, তাহলে তিনি আসলেই ভুল বুঝছেন আমাকে।

জায়েদ খান আরও বলেছেন, নিপুণের উচিত তাঁর গলায় জয়ের মালা পরিয়ে দেওয়া। তাঁর প্রমাণ করা উচিত শিল্পীদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। শিল্পীদের স্বার্থে আমরা এক।

জয়ের মালা পরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে আমার কোনো কথা নেই। এ ব্যাপারে আমি কোনো কিছুই বলতে চাই না। তবে একটা কথা, আমাদের শিল্পীদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই।

জায়েদ খানের আরও অভিযোগ, নিপুণ গায়ের জোরে আমার চেয়ারে বসেছিলেন। এটা তিনি কেন বলছেন?

নির্বাচনী ফলাফলের সুরাহা করতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় দিকনির্দেশনা দিয়েছে আপিল বোর্ডকে। তদন্ত করে জায়েদ খানের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পেয়েছে আপিল বোর্ড। কারণ, আচরণবিধির ১০ নম্বরে স্পষ্ট আছে, নির্বাচনে যদি কেউ টাকা লেনদেন করেন, আর সেটা যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে তাঁর প্রার্থিতা বাতিল হবে। আপিল বোর্ড জায়েদ খানের বিরুদ্ধে সেই প্রমাণ পেয়েছে। এ কারণে আপিল বোর্ড তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করে আমাকে নির্বাচিত করেছে। আমি জোর করে চেয়ারে বসতে যাইনি।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office