অনলাইন ডেস্ক: | শনিবার, ২৬ মার্চ ২০২২ | প্রিন্ট | ১১৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
জাতীয় স্মৃতিসৌধে দলীয় নেতা–কর্মীদের নিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপি নেতারা
মহান স্বাধীনতা দিবসে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। কী দুর্ভাগ্য আমাদের, আজকে স্বাধীনতার ৫০ বছর পর যখন আমরা এ দেশের স্বাধীনতা দিবস পালন করছি, সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছি, সেই সময়ে বাংলাদেশ থেকে গণতন্ত্র নির্বাসিত হয়েছে। যে লক্ষ্য নিয়ে, আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে, স্বপ্ন নিয়ে ১৯৭১ সালে আমরা যুদ্ধ করেছিলাম; সেই স্বপ্ন, সেই আকাঙ্ক্ষা সম্পূর্ণভাবে ধুলিসাৎ হয়ে গেছে।’
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে সকাল সোয়া নয়টার দিকে দলীয় নেতা–কর্মীদের নিয়ে শহীদদের স্মরণে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপি নেতারা।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে এই ৫০ বছর পরে আমাদের জনগণের ভোটের অধিকার নেই, স্বাধীনতা নেই, সংগঠনের অধিকার নেই। বাংলাদেশ সম্পূর্ণভাবে একটা কর্তৃত্ববাদী ফ্যাসিবাদী শাসনের কবলে পড়েছে। মিথ্যা মামলায় দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারারুদ্ধ অবস্থায় আছেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মিথ্যা মামলায় নির্বাসিত অবস্থায় আছেন।’ দলের নেতা-কর্মীদের গুম করা হচ্ছে ও মিথ্যা মামলায় জড়ানো হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, ৩৫ লাখ গণতন্ত্রকামী নেতা–কর্মীর নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। ছয় শতাধিক নেতা–কর্মী গুম হয়েছেন এবং সহস্রাধিক নিহত হয়েছেন।
বাংলাদেশ ভয়াবহ দুর্বিষহ এক স্বৈরাচারের কবলে শৃঙ্খলিত অবস্থায় আছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘৫০ বছর পরে আমরা যেমন শহীদদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, সেই সঙ্গে আজকে আমরা এখানে শপথ নিয়েছি, ৫০ বছর আগে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিলাম, এখন আবারও আমরা গণতন্ত্রকে মুক্ত করব। দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনব।’
দেশের জনগণকে নিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করা হবে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় একটি অবাধ সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করব। জনগণের রাষ্ট্র তৈরি করব। সেই রাষ্ট্র হবে সত্যিকার অর্থেই একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। সেই রাষ্ট্র হবে একটি মুক্ত রাষ্ট্র।’