রাজনীতি ডেস্ক | মঙ্গলবার, ২২ নভেম্বর ২০২২ | প্রিন্ট | ৭১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যদি মিথ্যা বলার অপরাধে কাউকে নিষিদ্ধ করা হতো তাহলে মির্জা ফখরুল ও বিএনপি নিষিদ্ধ হতো।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা ফখরুলের মুখে মধু অন্তরে বিষ। বিএনপি মিথ্যাচার করে সরকারের বিরুদ্ধে জনগণকে ক্ষেপিয়ে তুলছে। তাদের বিরুদ্ধে ডিসেম্বর মাসে রাজপথে ফাইনাল খেলা হবে। খেলা হবে নির্বাচনের কারচুপির বিরুদ্ধে, খেলা হবে আন্দোলনের নামে মানুষ হত্যা, ভোট চুরি, ভুয়া ভোটার সৃষ্টি, দুর্নীতি, হাওয়া ভবন, অর্থপাচার ও সুইস ব্যাংকে যাদের একাউন্ট আছে তাদের বিরুদ্ধে। সুইস ব্যাংকের টাকা জনগণের, এ টাকা ফিরিয়ে আনতে হবে।
এ সময় বিএনপিকে জঙ্গিবাদের বিশ্বস্ত ঘাঁটি বলে মন্তব্য করেছেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, সকল জঙ্গিবাদের উত্থান হয়েছে ২০০৪ সালে বিএনপির আমলে।
ওবায়দুল বলেন, পদ্মাসেতু, বঙ্গবন্ধু টানেল, মেট্রোরেল হাওয়ায় বিএনপির অন্তরে জ্বালা হচ্ছে। তাদের আমলে কোনো উন্নয়ন হয়নি। তারা কি বলে জনগণের নিকট ভোট চাইবেন? বিএনপিকে মানুষ ভোট দেবে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আবারও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে।
শেখ হাসিনাকে ২০ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাকে আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখে তাকে কেউ হত্যা করতে পারে না। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে কেউ তাকে মুছে ফেলতে পারবে না। দেশের হৃদয় তাকে ধরে রেখেছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, বিশেষ অতিথি মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, মাহবুব উল আলম হানিফ, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সংসদ সদস্য মো. শাজাহান কামাল, নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন ও আনোয়ার হোসেন খান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এম এ মোমিন পাটোয়ারী, আব্দুজ্জাহের সাজুসহ স্থানীয় নেতারা।
সম্মেলনে পুনরায় মিয়া মো. গোলাম ফারুক পিংকুকে সভাপতি ও অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। এর আগে ২০১৫ সালের ৩ মার্চ সম্মেলনে একই মাঠে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল।