শিরোনাম
রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে কামরুল-জসিম প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয় শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগ থেকে বাঁচানো সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে কমবে মামলার জট : আইনমন্ত্রী মানবপাচার-অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে সরকার কঠোর অবস্থানে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছয় মাসে ১ হাজার ৩১৬ কোটি টাকার নিট লোকসানে ইসলামী ব্যাংক
Advertise with us

কী কারণে কিডনিতে পাথর হয়?

অনলাইন ডেস্ক   |   সোমবার, ২৯ মার্চ ২০২১   |   প্রিন্ট   |   ১৬৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

প্রতীকী ছবি।

বয়স্কদের মতো শিশুদেরও হতে পারে কিডনি রোগ। দেশে ৪০ থেকে ৫০ লাখ শিশু বিভিন্ন ধরনের কিডনি রোগে ভুগছে। বয়স্কদের মতোই শিশুদের কিডনি রোগেরও উপসর্গ প্রায় একই রকম। করোনার সময়ে শিশু কিডনি রোগের ঝুঁকি রয়েছে আরো বেশি। শিশুদের কিডনি রোগের লক্ষণসহ নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু কিডনি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. গোলাম মঈন উদ্দিন।

শিশুদের কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রধান কারণ কি?

এ ব্যাপারে অধ্যাপক ডা. গোলাম মঈন উদ্দিন বলেন, সাধারণত জন্মগত বা বংশগত কারণে শিশুদের কিডনি রোগ হয়ে থাকে। বংশগত কারণে কিডনি রোগগুলো শিশু গর্ভে থাকা অবস্থাতেই ধরা পড়ে। তারপর শিশু জন্মের পর বেশকিছু লক্ষণ দেখা দেয়। যেমন: প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, শিশুর বেড়ে না ওঠা, হাত পা বাঁকা হয়ে যাওয়া, বমি, ইলেকট্রোলাইটিক ইমব্যালেন্স হওয়া, প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া, ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব করা ইত্যাদি।

শিশুদের কিডনি বিকল হয় কেন?

শিশুদের কিডনি বিকল দুই রকমের। একটি আকস্মিক বা দ্রুত গতিতে কিডনি বিকল। যেটাকে বলা হয়, একিউট কিডনি ইনজুরি। আরেকটি হলো ধীরগতিতে কিডনি বিকল।

অধ্যাপক ডা. গোলাম মঈন উদ্দিন বলেন, আকস্মিক বা দ্রুত কিডনি বিকল হওয়ার কারণ হলো ডায়রিয়া বা বমির ফলে শিশু যখন ডিহাইড্রেশনে ভোগে, তখন কিডনিতে রক্তপ্রবাহ কম হয়। ডিহাইড্রেশনের কারণে শিশুকে ওরস্যালাইন খাওয়ানো না হলে তার কিডনি দ্রুতগতিতে বিকল হয়। এর ফলে প্রস্রাব কমে যায়।

তিনি বলেন, ডায়রিয়া বা বমির কারণে শরীরের যে ফ্লুইড লস হয়, তার ফলে শরীরে কিডনি বিকল হয়ে যায় আকস্মিকভাবে। যেকোনো ইনফেকশনের কারণে কিডনি বিকল হয়। প্রদাহের ফলে কিডনি বিকল হতে পারে। এটাও আকস্মিক কিডনি বিকল। এছাড়াও বর্ষাকালে মৌমাছি অথবা সাপের কামড়ের ফলে এই বিষ শরীরে গিয়ে কিডনি বিকল হতে পারে। কিছু কিছু ওষুধের কারণে কিডনি বিকল হয়ে থাকে। প্রস্রাবের রাস্তায় জন্মগত ত্রুটি থাকলে কিডনি বিকল হতে পারে।

কী কারণে কিডনিতে পাথর হয়?

এ ব্যাপারে অধ্যাপক ডা. গোলাম মঈন উদ্দিন বলেন, জন্মগত কারণে এ ধরনের রোগ হয়ে থাকে। বিশেষ করে আত্মীয়দের মধ্যে বিয়ে হলে এ ধরনের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মূত্রনালীতে ব্লক থাকলে, স্টেসিস থাকলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

শিশুরা কিডনি রোগে আক্রান্ত কিনা বুঝবেন কীভাবে?

এক্ষেত্রে লক্ষণীয় উপসর্গগুলো হলো শিশু ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ মুখ ফুলে যাওয়া, প্রস্রাবের চাপ কমে আসা, হাতে-পায়ে পানি চলে আসা, পেটে পানি চলে আসা, প্রস্রাব কমে যাওয়া। প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া, প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া, জ্বর, বমি বমি ভাব।

অধ্যাপক ডা. গোলাম মঈন উদ্দিন বলেন, ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে গেলে মাথাব্যথা, খিচুনি এসব উপসর্গ দেখা দেয়। এছাড়াও শিশুদের রক্তশূন্যতা, ক্ষুধামন্দা, দুর্বলতা, ওজন কম হওয়া ইত্যাদি উপসর্গও দেখা দিতে পারে। তাহলে অভিভাবকরা শিশুদের নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যাবেন।

দেশে শিশু কিডনি রোগীর সংখ্যা কত?

দেশে ৪০ থেকে ৫০ লাখ শিশু বিভিন্ন ধরনের কিডনির নানা রোগে ভুগছে। শিশুরা জন্মগত এবং বংশগত কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়। জন্মগত কিডনি রোগগুলো অনেকটাই আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে ধরা পড়ে। জন্মের পরে কিডনি রোগ প্রস্রাবে ইনফেকশন, নেফ্রোটিক সিনড্রোম, ড্রাগ এর ফলে কিছু ইনফেকশন হয়। এছাড়া ডিহাইড্রেশন, কিডনি ছোট হওয়া, ডান অথবা বাম যেকোনো এক পাশে দু’টো কিডনি চলে যাওয়াসহ কিডনির সব ধরণের রোগ নিয়েই শিশুরা শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞদের কাছে যায়।

সূত্র: ডক্টর টিভি

Facebook Comments Box
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office