শিরোনাম
শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে কামরুল-জসিম প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয় শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগ থেকে বাঁচানো সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে কমবে মামলার জট : আইনমন্ত্রী মানবপাচার-অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে সরকার কঠোর অবস্থানে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বকশিশ কম দেওয়ায় কর্মচারী খুলে নিলেন অক্সিজেন মাস্ক, ছটফট করে মারা গেল রোগী

অনলাইন ডেস্ক:   |   বুধবার, ১০ নভেম্বর ২০২১   |   প্রিন্ট   |   ১৪০ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

লাশ প্রতীকী ছবি

ট্রলিতে করে কিশোরকে জরুরি বিভাগ থেকে শয্যায় নেওয়ার পর চাহিদামতো বকশিশ না পেয়ে অক্সিজেন মাস্ক খুলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে এ ঘটনা ঘটে বলে মৃত কিশোরের স্বজনদের অভিযোগ। ঘটনা খতিয়ে দেখতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে।

ওই কিশোরের নাম বিকাশ চন্দ্র কর্মকার (১৫)। অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের খণ্ডকালীন কর্মচারী। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক। তদন্ত কমিটি গঠনের খবরটি  নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের উপপরিচালক আবদুল ওয়াদুদ।

হাসপাতালের কর্মচারী আসাদুজ্জামান ট্রলি ঠেলে লিফটে করে বিকাশকে তৃতীয় তলায় পৌঁছে দেন। এরপর তিনি ২০০ টাকা বকশিশ দাবি করেন। আসাদুজ্জামানকে ১৫০ টাকা দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওই কর্মচারী রোগীর মুখ থেকে টেনে মাস্ক খুলে ফেলেন। ছটফট করতে করতে বিকাশ মারা যায়।
শচীন চন্দ্র কর্মকার, মৃত কিশোর বিকাশের ছোট চাচা
বিকাশের পরিবারের ভাষ্য, তাদের বাড়ি গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার পুঁটিমারি গ্রামে। উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত সে। অভাবের সংসারে সে লেখাপড়ার পাশাপাশি একটি ওয়ার্কশপে কাজ করত। ওয়ার্কশপ থেকে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় সে আহত হয়। তাকে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকাশকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গতকাল রাতে স্বজনেরা তাকে এই হাসপাতালে নিয়ে যান।

বিকাশের ছোট চাচা শচীন চন্দ্র কর্মকার এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন। তিনি দাবি করেন, দুর্ঘটনায় আহত বিকাশের শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। এ কারণে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক বিকাশের জন্য মুখে মাস্ক লাগিয়ে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করেন। এরপর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কার্যক্রম শেষে অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ তাকে ট্রলিতে করে হাসপাতালের তৃতীয় তলায় নেওয়া হয়। হাসপাতালের কর্মচারী আসাদুজ্জামান ট্রলি ঠেলে লিফটে করে তৃতীয় তলায় পৌঁছে দেন। এরপর তিনি ২০০ টাকা বকশিশ দাবি করেন। আসাদুজ্জামানকে ১৫০ টাকা দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওই কর্মচারী রোগীর মুখ থেকে টেনে মাস্ক খুলে ফেলেন। ছটফট করতে করতে বিকাশ মারা যায়।

হাসপাতালের উপপরিচালক আবদুল ওয়াদুদ বলেন, চার সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার মনিরুজ্জামানকে। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office