সারাদেশ ডেস্ক | শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২ | প্রিন্ট | ২০৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সংগৃহিত ছবি
রাজশাহীতে জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আখতারুজ্জামান আখতারের প্রচারে বাধা এবং হামলার অভিযোগ উঠেছিল রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন এবং ধুরইল ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেওয়ার পর এবার ওই ঘটনায় গ্রাম পুলিশদের মারধরের অভিযোগে আখতারের কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে মোহনপুর থানায় গ্রাম পুলিশ আব্দুল ওহাব মামলাটি করেন। আখতারের নির্বাচনী এজেন্টসহ সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ১০-১২ জনকে এতে আসামি করা হয়েছে।
আসামিরা হলেন- নির্বাচনী এজেন্ট হড়গ্রাম ইউনিয়নের আবু রায়হান মাসুদ, বাগমারা উপজেলার বড়বিহানালী গ্রামের আব্দুল মালেক নয়ন, রাজশাহী নগরীর হড়গ্রাম এলাকার আবু সুফিয়ান সম্রাট, আশিকুল ইসলাম নিটু, গোলাম আযম ফারুক, উজ্জ্বল হোসেন ও নগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকার মোহাম্মাদ আলী।
এজাহারে বলা হয়, গত বুধবার রাতে মোহনপুর উপজেলার ধুরইল ইউনিয়নে তিনটি মাইক্রোবাসে স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতারের পোস্টার সাঁটাতে যান আবু রায়হান ও তাঁর কয়েক সহযোগী। ওই সময় তাঁরা দায়িত্বরত গ্রাম পুলিশদের ইউনিয়ন পরিষদের দরজা খুলতে বলেন। গভীর রাতে ইউনিয়ন পরিষদের দরজা খোলা যাবে না জানালে দু’পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে আসামিরা স্থান ত্যাগ করেন পরে দলবদ্ধ হয়ে ইউনিয়ন পরিষদের দরজা ভেঙে গ্রাম পুলিশদের ওপর হামলা চালান। পরে গ্রামবাসী হামলাকারীদের আটকে ধোলাই দেন। এ সময় মাইক্রোবাস চাপায় আহত আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে ওই ঘটনায় নিজ কর্মীদের ওপর হামলার কথা জানিয়ে বৃহস্পতিবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতার। শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে একই অভিযোগ করেন তিনি। তিনি জানান, বুধবার রাত ১০টার দিকে মোহনপুর উপজেলায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর সময় স্থানীয় এমপি আয়েন উদ্দিনের নেতৃত্বে তাঁর সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয়। ওই সময় দুটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়। এ ছাড়া তাঁর নির্বাচন সমন্বয়কারী আবু রায়হানকে আটকে রাখা হয়। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে।
মোহনপুর থানার ওসি তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ওই দিন মারামারি হয়নি। একটু ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।