ডেস্ক রিপোর্ট | সোমবার, ১১ জানুয়ারি ২০২১ | প্রিন্ট | ২০৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
শ্রীঙ্গলে মতবিনিময়সভায় সচিব হেলালুদ্দীন
স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, শ্রীমঙ্গল পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে সরকার কাজ করছে।
নতুন করে কোনো আইনি জটিলতা সৃষ্টি না হলে খুব শিগগির শ্রীমঙ্গল পৌরসভা নির্বাচন দেয়া সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, পৌরসভা এলাকা সম্প্রসারণ নিয়ে হাইকোর্টে একের পর এক রিট দায়েরের কারণে মেয়াদোত্তীর্ণের সাত বছর পেরিয়ে গেলেও এখানে নির্বাচন করা যায়নি।
দেশের যেসব পৌরসভায় বিরোধী দলের মেয়ররা দায়িত্বে রয়েছেন- দেখা গেছে, সেসব পৌরসভার মেয়র ক্ষমতায় থাকার জন্য জটিলতা সৃষ্টি করছেন।
মেয়াদ শেষ হলে আর কোনো জনপ্রতিনিধি ক্ষমতা আঁকড়ে থাকতে পারবেন না। এ জন্য আইন সংশোধন করা হবে। যাতে করে মেয়াদ শেষে জনপ্রতিনিধিরা প্রশাসকের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে পারেন।
সচিব শ্রীমঙ্গল পৌরসভা নিয়ে জেলা প্রশাসকের গাফিলতিকে দায়ী করে বলেন, জেলা প্রশাসকরা মন্ত্রণালয়ে সঠিক রিপোর্ট না পাঠানোর কারণে আমরা মন্ত্রণালয় থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারি না।
তিনি বলেন, পৌরসভার সীমানা সম্প্রসারণ একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। এর মধ্যে শ্রীমঙ্গল পৌরসভা নিয়ে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ থাকায় সম্প্রসারণ ও নির্বাচন দুটোই বিলম্ব হচ্ছে।
শনিবার দুপুরে স্থানীয় জেলা পরিষদ হলে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার সামগ্রিক উন্নয়নে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুধীসমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময়সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এসব কথা বলেন।
সিলেট বিভাগীয় কমিশনার এনডিসি মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল এলাকার সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ ড. মো. আবদুস শহীদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিছবাহু রহমান, পুলিশ সুপার মো. জাকারিয়া, শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) প্রেম সাগর হাজরা, শ্রীমঙ্গল পৌরসভার মেয়র মহসিন মিয়া মধু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সৈয়দ মনসুরুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অর্ধেন্দু দেব বেভুল, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন প্রমুখ।
এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুস শহীদ এমপি বলেন, শ্রীমঙ্গলের পর্যটনশিল্প বিকাশে সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। শ্রীমঙ্গলের নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশ-বিদেশ থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫ হাজার পর্যটক আসেন। তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি ও হাম হাম জলপ্রপাতসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পট আধুনিকায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
এ সময় শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে শ্রীমঙ্গলের নৃতাত্ত্বিক বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর শিল্পীরা নৃত্য ও সংগীত পরিবেশন করেন।