শিরোনাম
দেশে বাজারে সোনার দাম কমলো বার্সেলোনা টেক্সটাইল এক্সপোতে বাংলাদেশের ১৮ প্রতিষ্ঠান রাজশাহীতে ৩৮ হাজার ৯৭০ আখচাষীর মাঝে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা প্রদান সম্মাননায় ভূষিত পারফেক্ট ইলেকট্রনিক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও গোলাম শাহরিয়ার কবীর দুর্বল মূল্যায়ন ও সুশাসনের অভাবে বাড়ছে খেলাপি ঋণ নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী ১ এপ্রিল থেকে জাপানে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু কাল থেকে টানা ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে সব সম্প্রদায়ের স্থান সংরক্ষিত : রিজভী জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ওরসের নামে ফাঁদ পেতে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ‘পীরে চিশতী’

অনলাইন ডেস্ক:   |   মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১   |   প্রিন্ট   |   ১৮৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

কথিত পীরে চিশতী আবদুল মোতালেব। ছবি: সংগৃহীত

ওরসের নামে ফাঁদ পেতে মুরিদদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কথিত পীরে চিশতী আবদুল মোতালেব। সারা দেশে তিনি ওরসের নামে মুরিদ তৈরি করেন। আর সেই মুরিদদের সরকারি চাকরি, ফ্ল্যাটের মালিকানা ও স্থানীয় নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পাইয়ে দেওয়ার কথা বলতেন। কথিত পীরের ফাঁদে পড়ে অসংখ্য মুরিদ তার হাতে তুলে দিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। কাঙ্ক্ষিত চাকরি কিংবা নৌকার প্রার্থী কোনোটিই জোটেনি মুরিদদের ভাগ্যে। শেষ পর্যন্ত কথিত পীর আবদুল মোতালেবকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

প্রতি বৃহস্পতিবার পীরে চিশতী আবদুল মোতালেব মুরিদদের নিয়ে মজমার আয়োজন করেন।দেশজুড়ে ওরস মাহফিলের নামে হাজারো মুরিদ তৈরি করেছেন কথিত এ পীর।ঢাকার উত্তরাতে রাজউক প্রকল্পের আওতায় ফ্ল্যাটের মালিকানা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলেও টাকা হাতিয়েছেন তিনি।

প্রতারিত ভক্তরা একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি চাকরির জন্য নিয়েছেন সাড়ে ৪ লাখ টাকা। আর ফ্ল্যাটের জন্য নিয়েছেন ৬০ হাজার টাকা। বলেছে ১ মাসের মধ্যে চাকরি হয়ে যাবে। এরপর দোয়া করে দিয়েছেন সবাইকে।

কথিত এই পীর নিজেকে নির্মাণ শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি দাবি করেছেন। নিজেকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চেয়েছেন। তার দাবি, এ জন্যই প্রতারণায় অর্জিত অর্থের বেশিরভাগই তিনি তুলে দিয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ মহিলা লীগের কোষাধ্যক্ষ শেখ আক্তারি বেগম পারুলের হাতে।তবে আক্তারি বেগম তার এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, মোতালেব কে আমি চিনিও না, জানিও না। সে আমার নাম ভাঙিয়ে এসব করেছে। আমি তার বিচার চাই।

গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, প্রতারণার মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থের বেশিরভাগই আমোদ-ফূর্তিতে খরচ করেছেন কথিত এই পীর।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, সে বিভিন্ন সময় মোনাজাত করে, ওরস করে টাকা কামাত। এরমাধ্যমে নারীদের সঙ্গেও অন্তরঙ্গ হতো। এসব করে ব্যাপক টাকা কামিয়েছে। এই লোকটা দামি-গাড়ি ছাড়া চলাচল করে না। দলবাজির পেছনে টাকা খরচ করত।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office