শিরোনাম
শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে কামরুল-জসিম প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয় শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগ থেকে বাঁচানো সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে কমবে মামলার জট : আইনমন্ত্রী মানবপাচার-অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে সরকার কঠোর অবস্থানে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

করোনার এই সময়ে জ্বর হলে

অনলাইন ডেস্ক:   |   শনিবার, ০৭ অগাস্ট ২০২১   |   প্রিন্ট   |   ২৫৬ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

প্রতীকি ছবি।

করোনার এ সময়ে জ্বর হলেই দুশ্চিন্তা ঘিরে ধরছে। এখন আবার ডেঙ্গুর প্রকোপও বেড়েছে। কাজেই এখন জ্বর হলে করোনা ও ডেঙ্গু—উভয়ের কথাই মাথায় রাখতে হবে। এ ছাড়া আরও নানাবিধ কারণে জ্বর হতে পারে, যেমন টাইফয়েড, চিকুনগুনিয়া, সিজনাল ফ্লু অথবা শরীরে ইনফেকশন ইত্যাদি।

কাজেই জ্বর হলে উপসর্গ লক্ষ করুন। জ্বরের পাশাপাশি করোনা রোগীদের অন্যান্য যে উপসর্গ থাকে, সেগুলো হলো শুকনা কাশি, গলাব্যথা, শ্বাসকষ্ট, সর্দি, স্বাদ বা ঘ্রাণের পরিবর্তন, ডায়রিয়া অথবা অস্বাভাবিক দুর্বলতা। অন্যদিকে ডেঙ্গু রোগীদের জ্বর হয় সাধারণত অনেক বেশি, ১০২-১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত ওঠে। সঙ্গে থাকে অসম্ভব গাব্যথা, পিঠে ব্যথা, চোখের চারপাশে ব্যথা ও গায়ে লালচে ভাব।

করণীয়
প্রথম ধাপ: জ্বর দেখা দিলে অন্যদের থেকে আলাদা হয়ে একটি কক্ষে নিজেকে আবদ্ধ করে ফেলতে হবে। কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, হাঁচি-কাশি থাকলে রুমাল বা টিস্যু ব্যবহার করতে হবে। রোগীর কক্ষে প্রবেশ করলে অবশ্যই মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে।

দ্বিতীয় ধাপ: চিকিৎসকের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখতে হবে। এ ছাড়া সরকারের কিছু হটলাইন নম্বর আছে, সেগুলোও ব্যবহার করতে পারেন। চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে এবং ওষুধ সেবন করতে হবে।

তৃতীয় ধাপ: রোগীর সুষম খাবার নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যেন থাকে ফলমূল, শাকসবজি, মাছ-মাংস, ডিম ও দুধ। বিশেষ করে ভিটামিন সি–সমৃদ্ধ ফল খেতে হবে।

চতুর্থ ধাপ: প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লিটার পর্যন্ত তরল পান করতে হবে। ডেঙ্গু, করোনা অথবা যেকোনো জ্বরে পানীয় পান করাটা খুবই জরুরি।

পঞ্চম ধাপ: রোগীকে কিছু সতর্কসংকেত সম্পর্কে জেনে রাখতে হবে। এসব সতর্কসংকেত হলো তীব্র শ্বাসকষ্ট, তীব্র বুকব্যথা, অস্বাভাবিক দুর্বলতা, অসংলগ্ন কথা, পালস অক্সিমিটারে অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৯৪-এর নিচে চলে আসা, অনবরত বমি, তীব্র পেটব্যথা অথবা মুখ, নাক ও দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ। এসব উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে অথবা হাসপাতালে যেতে হবে।

অনেকে জ্বর হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ কিনে খাওয়া শুরু করে দেন। মনে রাখতে হবে, কিছুতেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো পদক্ষেপ নেওয়া চলবে না। কোনো প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হবেন না।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office