শিরোনাম
শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে কামরুল-জসিম প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয় শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগ থেকে বাঁচানো সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে কমবে মামলার জট : আইনমন্ত্রী মানবপাচার-অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে সরকার কঠোর অবস্থানে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘ক্ষেতের ধান গায়েব হইয়া গেছে’

সারাদেশ ডেস্ক   |   মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ১২৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

সংগৃহীত ছবি

দূর থেকে দেখে মনে হবে, সব ধান পেকে গেছে। আসলে মরে যাচ্ছে। চালকলের বিষাক্ত বর্জ্য ও কালো ছাইয়ে স্বপ্ন পুড়েছে কৃষকের। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়নের ইছারচালা গ্রামের পাঁচ একর জমির আমন ধান। কৃষকের কপালে চিন্তার ভাঁজ। বায়ুদূষণের কারণেও চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। এ নিয়ে ৪ ডিসেম্বর ১১৩ জন ভুক্তভোগী ইউএনও ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘনবসতিপূর্ণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ফসলি জমি ও উপসনালয় ঘেঁষে স্থাপন করা হয়েছে চালকল ডেইলি রাইস ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড। চালকলের বিষাক্ত বর্জ্য মিশ্রিত পানি নিস্কাশন করা হয় ফসলি জমিতে। ফলে পাঁচ একর জমির ফসল পচে নষ্ট হয়ে গেছে। মরে যাচ্ছে গাছপালা। এ চিত্র প্রতি বছরের। দূষণ ঘটছে বায়ু ও শব্দেরও।

কৃষক ইউনুস আলী বলেন, ‘ক্ষেতের ধান সব তো গায়েব হইয়া গেছে। কোম্পানির পচা পানি ও ছাই আমাগো ধান ও গম ক্ষেত শেষ কইরা দিছে। কোম্পানি কয় জমি বেইচা এলাকা ছাড়তে।’
কৃষক শামছুল হকের দাবি, তাঁদের কথা কেউ শোনে না। তাঁদের মতো বিপাকে পড়েছেন এলাকার অনেক কৃষক। কষ্টে ফলানো ফসল গোলায় তুলতে পারছেন না। হচ্ছে বায়ুদূষণ। এলাকার মানুষের দেখা দিচ্ছে শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমাসহ নানা রোগ। চালকলের পাশেই বেতুয়াপাড়া ইছারচালা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি আব্দুল বারী জানান, ছাই উড়ে এসে পড়ে বিদ্যালয়ে। আরো আছে শব্দদূষণ। ফলে বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে গেছে।
অভিযোগকারীদের মধ্যে বাংলাদেশ কোচ আদিবাসী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ও ইছারচালা গ্রামের বিবেকানন্দ বর্মণ বলেন, পরিবেশদূষণের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী এর আগেও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছিলেন; কাজ হয়নি। বরং কারখানা কর্তৃপক্ষের অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।
কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন ডেইলি রাইস ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের পরিচালক জাহিদ আহমেদ। তিনি দাবি করেন, চালকলের দূষিত পানি ফেলার ব্যবস্থা রয়েছে। সেখান থেকে কিছু পানি চুয়ে ফসলের জমিতে যায়। বাতাস হলে ছাই কিছুটা ওড়ে। তাদের সব ধরনের কাগজপত্র আছে।
ঘাটাইলের ইউএনও মোনিয়া চৌধুরী বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office