সারাদেশ ডেস্ক | বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২ | প্রিন্ট | ১৬৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সংগৃহীত ছবি
রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে পরিবহন ধর্মঘটের কারণে জয়পুরহাট বাস টার্মিনাল থেকে বগুড়া, নওগাঁ ও দিনাজপুর রুটে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। পরিবহন ধর্মঘটের সময় আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন মালিক, বাসচালক ও সহকারীরা।
বাস যাত্রীরা জানান, হঠাৎ সকাল থেকে পরিবহন ধর্মঘটে তারা ভোগান্তিতে পড়েছেন। সিএনজি ও ইজিবাইক চলাচল করছে। এসব যানবাহনে ভাড়া অনেক বেশি পড়ছে। আজকের ধর্মঘট পরিবহন মালিকদের স্বার্থে নয় বলে তাঁরা মনে করেন।
আব্দুল হামিদ নামে এক যাত্রী বলেন, ছেলের বাসায় বেড়াতে এসেছিলাম। সকালে বাড়িতে যাওয়ার জন্য বাস টার্মিনালে এসে দেখি বাস চলাচল বন্ধ। পরিবহন ধর্মঘট চলছে নাকি। অন্য যাত্রীরা বলছে, দুই দিন পর রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ। একারণে বাস চলাচল বন্ধ। এখান থেকে বগুড়ার বাসের ভাড়া আশি টাকা। অথচ এখন সিএনজিতে মোকামতলার ভাড়া দেড়শ টাকা দিতে হচ্ছে। এত ক্ষতি তারপরও সবাইকে যে কোনো ভাবেই হউক গন্তব্যে পৌঁছাতেই হবে। যত সমস্যা আমাদের মত গরীব মানুষেরই। সঙ্গে ভোগান্তি আর অতিরিক্ত খরচ ছাড়া কিছুই হবে না।
আরেক যাত্রী আবুল হোসেন বলেন, জরুরি কাজে আমাকে আজ বগুড়াতে যেতেই হবে। এখন বিকল্প যানবাহন ছাড়া কোনো উপায় নেই। সঠিক সময়ে না পৌঁছাতে পারলে আমার অনেক বড় ক্ষতি হবে। সমাবেশ হলে গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এটা একটা নিয়ম হয়ে দাড়িয়েছে। ক্ষতি যত সাধারণ মানুষের। এতে সরকারের কি যায় আসে। আগামী শনিবার রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ হবে। তার আগে থেকেই পরিবহন ধর্মঘট চলছে।
সিএনজি চালক সাইফুল ইসলাম বলেন, বাস বন্ধ রয়েছে। আমরা সিএনজির ভাড়া বেশি নিচ্ছি না। আগে যা ভাড়া ছিল আজও তাই নেওয়া হচ্ছে। তবে যাত্রীদের চাপ রয়েছে। কেউ বসে নেই। আবার আমাদের কেউ সিএনজি চালাতে বাঁধাও দিচ্ছে না।
রাজশাহী বিভাগীয় পরিবহন ফেডারেশনের সভাপতি ও জয়পুরহাট মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, দশ দফা দাবি আদায়ের জন্য সকাল ছয়টা থেকে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট চলছে। বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশকে ঘিরে এই পরিবহন ধর্মঘট নয়। যদি কেউ বলে থাকে সেটা মিথ্যা গুজব ছড়ানো হচ্ছে।