সারাদেশ ডেস্ক | সোমবার, ২০ জুন ২০২২ | প্রিন্ট | ২২৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সংগৃহিত ছবি
ভারী বর্ষণ ও ভারতের গজলডোবা ব্যারেজ থেকে ধেয়ে আসা পানিতে লালমনিরহাটে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, সোমবার বিকেলে জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ব্যারেজ পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
অন্যদিকে শিমুলবাড়ি পয়েন্টে ধরলার পানি বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
হঠাৎ করে পানি বৃদ্ধির পর তিস্তা ও ধরলা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১০ হাজার পরিবার।
জেলার পাটগ্রাম উপজেলার আঙ্গরপোতা, দহগ্রাম, হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী, পাটিকাপাড়া, কালীগঞ্জের ভোটমারী, কাকিনা, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ও পলাশী, সদর উপজেলার মোগলহাট, কুলাঘাট, খুনিয়াগাছ, রাজপুর ও গোকুন্ডা ইউনিয়নের ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
আদিতমারী মহিষখোচা ইউনিয়নের দক্ষিণ বালাপাড়া চৌরাহা গ্রামের বাসিন্দা আমরোন বেগম বলেন, ‘এবারের বন্যা কেম্বা এমন। এই পানি বাড়ে, আবার কমে। শেষ পর্যন্ত যে কপালোত কি আছে হামার, আল্লাহ ভাল জানেন।’
একই এলাকার পানিবন্দি মনসের আলী বলেন, রোববার থেকে পানি অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। ঘরে কোমর পর্যন্ত পানি।পরিবার নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটছে তাদের। এখনও সরকারি বা বেসরকারি পর্যায় থেকে কোনো সাহায্য তারা পাননি বলে জানান।
পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, তিস্তা ও ধরলা নদীর ভাঙন রোধে বিভিন্ন জায়গায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর বলেন, জেলার ৫টি উপজেলার বন্যাকবলিত মানুষের জন্য ১৫০ মেট্রিক
টন চাল, শুকনো খাবার ও নগদ ১১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সেগুলো বিতরণের কাজ চলমান রয়েছে।