শিরোনাম
শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে কামরুল-জসিম প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয় শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগ থেকে বাঁচানো সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে কমবে মামলার জট : আইনমন্ত্রী মানবপাচার-অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে সরকার কঠোর অবস্থানে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশ ও র‍্যাব প্রধানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা লজ্জার: মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক:   |   শনিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২১   |   প্রিন্ট   |   ১৪৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ফাইল ছবি

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে পুলিশ প্রধান, র‍্যাব প্রধানসহ সাতজনের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার ঘটনা দেশের জন্য চরম লজ্জার বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘কী লজ্জা; আমাদের পুলিশ প্রধান, আমাদের র‍্যাব প্রধান তাঁদের যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটা দেশ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কী কারণে এই নিষেধাজ্ঞা, তাঁরা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন। বেআইনিভাবে মানুষকে হত্যা করেছেন। সুতরাং জনগণের কাছে এর জবাব তো দিতেই হবে।’

আজ শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র‍্যাবের সাবেক ও বর্তমান সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট (রাজস্ব বিভাগ) ও পররাষ্ট্র দপ্তর। গতকাল শুক্রবার পৃথকভাবে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মার্কিন এই নিষেধাজ্ঞার খবরে ‘বিস্মিত হননি’ বলে জানান মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ প্রধান ও র‍্যাব প্রধানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এটাকে আমি চমক মনে করি না। আমি মনে করি, এটি অবশ্যম্ভাবী পরিণতি। এটাই তাঁদের পরিণতি। এই ধরনের যাঁরা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেন, যাঁরা মানুষের অধিকার কেড়ে নেন, যাঁরা জনগণকে হত্যা করেন, তাঁদের পরিণতি এমনই হয়।’

যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র সম্মেলনে বাংলাদেশকে না ডাকা লজ্জার বলে অভিহিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা এত দিন ধরে বলে আসছি, বাংলাদেশে মানবাধিকার হরণ করা হচ্ছে। আমরা বলেছি, এখনো বলছি, এই সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করছে, পুলিশকে ব্যবহার করছে। প্রশাসনকে ব্যবহার করে নির্মমভাবে মানুষকে হত্যা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র সম্মেলনে বাংলাদেশকে ডাকাও হয়নি। এটাও লজ্জার।’

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের মনে রাখা উচিত, তাঁরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী–কর্মকর্তা। তাঁরা কোনো ব্যক্তি বা দলের কর্মকর্তা নন। সংবিধানের বাইরে গিয়ে দায়িত্ব পালন করা তাঁদের দায়িত্ব নয়। যদি কেউ সেই কাজ করেন, তাহলে একদিন না একদিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। আমরা জানি, কারা হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করে বেগম পাড়ায় বাড়ি বানাচ্ছে। একদিন ওই সম্পদ আপনারা ভোগ করতে পারবেন না।’

দুর্বার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকার পতনের হুঁশিয়ারি দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি আশা করব, সব রাজনৈতিক দল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে এই সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। দুর্বার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ভয়াবহ দানবীয় সরকারকে পরাজিত করতে হবে।’

আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম, উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম (বীর প্রতীক), ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক, এনপিপির মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office