শিরোনাম
জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে কামরুল-জসিম প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয় শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগ থেকে বাঁচানো সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে কমবে মামলার জট : আইনমন্ত্রী মানবপাচার-অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে সরকার কঠোর অবস্থানে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছয় মাসে ১ হাজার ৩১৬ কোটি টাকার নিট লোকসানে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী অ্যাভিয়েশন খাতে ইউএস-বাংলার দেড় বিলিয়ন বিনিয়োগ মাইলফলক অর্জন করেছে : বেবিচক চেয়ারম্যান বৈদেশিক লেনদেনে ডিজিটাল পেমেন্ট সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক এবার জিয়াউল আহসানের মিরপুরের বহুতল ভবনে দুদকের অভিযান
Advertise with us

প্রেমিকাকে হত্যার পর সিগারেটের আগুন দিয়ে দগ্ধ করে মরদেহ মহিবুল

অনলাইন ডেস্ক:   |   রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ৩১৫ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

অভিযুক্ত মহিবুল কামাল

মাথায় উপর্যুপরি ইটের আঘাতে প্রেমিকাকে হত্যার পর মরদেহের পাশে বসেই সিগারেট খায় হত্যাকারী মহিবুল কামাল। এমনকি আলামত গোপন করার জন্য সিগারেট শেষ হওয়ার পর ঠাণ্ডা মাথায় উচ্ছিষ্ট অংশের আগুন দিয়ে দগ্ধ করে পুরো শরীর। হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি মহিবুলকে আটকের পর বের হয়ে আসছে গত ১২ মার্চ রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার বিএফআইডিসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত টয়লেট থেকে দগ্ধ লাশ উদ্ধারের নেপথ্য কাহিনী।

নেত্রকোনো থেকে আটকের পর র‌্যাবের কাছে জিজ্ঞাসাবাদে মহিবুল অকপটে স্বীকার করে প্রেমিকা হাসিনা আক্তার সুমিকে হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা।

বিয়ে করা নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ইট দিয়ে আঘাত করে সুমির মাথায়। মাটিতে পড়ে যাওয়ার পর আরো ৮ থেকে ১০ বার আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। এরপর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় লাশ।
এ প্রসঙ্গে র‌্যাব-৭ অধিনায়ক লে কর্নেল এম এ ইউসুফ বলেন, ১২ মার্চ লাশ উদ্ধারের পর সুমির পরিবার পার্শ্ববর্তী আরেকটি পরিবারকে দোষারোপ করে মামলা করে। যেহেতু তাদের সাথে নানা বিষয় নিয়ে আগে থেকে বিরোধ ছিল। কিন্তু আমরা ছায়া তদন্ত করতে গিয়ে দেখলাম ১১ মার্চ সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সুমি বিশেষ একটি নম্বরে একাধিকবার কথা বলেছে। তাতে আমরা নিশ্চিত হই হত্যার ঘটনা ঘটেছে ১১ মার্চ বিকালে। এরপরেই আমরা ওই মোবাইল নম্বরের সূত্র খুঁজতে থাকি।
তিনি আরো বলেন, ‘পরবর্তীতে তথ্য-প্রযুক্তি এবং মাঠপর্যায়ের সোর্স ব্যবহার করে নিশ্চিত হই তাঁর পূর্বপরিচিত মহিবুল হত্যাকাণ্ডের স্থানে ছিলেন। এরপর আমরা মহিবুলের সন্ধানে নামি এবং তাঁর অবস্থান নেত্রকোনা নিশ্চিত হই। শেষ পর্যন্ত নেত্রকোনাতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে শনিবার মধ্যরাতে গ্রেপ্তার করি। ‘

মহিবুলকে নেত্রকোনা থেকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া র‌্যাব-৭, সিপিসি-২ এর কম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান জানান, আটকের পরপরই মহিবুল আমাদের কাছে সুমি আক্তারকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। এরপর সুমি আক্তারের পরিবারকে এনে মুখোমুখি করা হলে তাঁরা মহিবুল সুমির পূর্বপরিচিত বলে নিশ্চিত করে।

এদিকে, মূল হত্যাকারী মহিবুলকে আটকের খবরে র‌্যাব কার্যালয়ে ভিড় করেন নিহতের স্বজনরা। তারা জানান, মহিবুলের প্ররোচনায় সুমি তার স্বামীকে ডিভোর্স দিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে বিয়ের জন্য বলায় সুমিকে হত্যা করে সে। সুমি ছাড়াও একাধিক নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করার কথা র‌্যাবের কাছে স্বীকার করেছে মহিবুল।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office