সারাদেশ ডেস্ক | বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২ | প্রিন্ট | ৯২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সংগৃহিত ছবি
বরিশালে বিজয়া দশমীর বিকেলে মন্দিরে মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন সনাতন ধর্মের ভক্ত নারীরা। আজ বুধবার সকালে দশমী পূজার মাধ্যমে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসবের আচার। বিকেল ৪টা থেকে সিঁদুর খেলা ও দেবীর বরণ অনুষ্ঠানে মণ্ডপগুলোতে বিরাজ করে উৎসবমুখর পরিবেশ। সন্ধ্যা থেকে নগরীর ৪৫ পূজামণ্ডপে শুরু হয় প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতি।
নগরীর সদর রোডের জগন্নাথ দেবের মন্দিরে বিকেল পাঁচটায় দেখা গেছে, ভক্ত নারীরা নাচগানের সঙ্গে মেতে ওঠেন সিঁদুর খেলায়। অনেক ভক্ত নারীকে দেখা গেছে ধর্মীয় রীতিতে পান-মিষ্টি দিয়ে বরণ করে বিদায় জানাচ্ছেন দেবী দুর্গাকে। এরকম আনন্দমুখর পরিবেশ ছিল নগরের অধিকাংশ মন্দিরে।
কালীবাড়ি সড়কে পাষাণময়ী কালীমন্দিরে দুর্গাপূজার পুরোহিত দুলাল ভট্রাচার্য বলেন, গত শনিবার ষষ্ঠী পূজার মধ্যদিয়ে পাঁচ দিনের শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হয়েছিল। আজ দশমীতে হয়েছে বিসর্জন পূজা। বিধি অনুযায়ী বিসর্জন পূজার পর পরই মণ্ডপগুলোতে বাজে বিদায়ের সুর।
মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল দাস জানান, মহানগর পূজামণ্ডপগুলোর নেতৃবৃন্দকে সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে রাত ৯টার মধ্যে প্রতিমা বিসর্জন দিতে বলা হয়েছে। কীর্তণখোলা নদীর খেয়াঘাটে (ডিসি ঘাটে) প্রায় ৩০টি প্রতিমা বিসর্জনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মানিক মুখার্জী বলেন, জেলা ও মহানগরের সকল পূজা মন্দিরে উৎসবমুখর এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছিল। সন্ধ্যা ৬টা থেকে জেলার সর্বত্র বিসর্জন শুরু হয়।
বরিশাল মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, মহানগরের ৪৫টি মণ্ডপে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে পূজা উদযাপিত হয়েছে। বিসর্জনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এ বছর বরিশাল মহানগর ও জেলায় ৬৪৫টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়। এরমধ্যে মহানগরে ৪৫টি এবং জেলার ১০ উপজেলায় ৬০০টি। সর্বাধিক আগৈলঝাড়া উপজেলায় ১৬৩টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়।