শিরোনাম
শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে কামরুল-জসিম প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয় শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগ থেকে বাঁচানো সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে কমবে মামলার জট : আইনমন্ত্রী মানবপাচার-অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে সরকার কঠোর অবস্থানে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মুক্তিযোদ্ধা ও সকল শহীদের মর্যাদা রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর আব্দুস শহীদ এমপি

কাউছার আহমেদ রিয়ন শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি।   |   বুধবার, ১৩ এপ্রিল ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ১৬০ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

শ্রীমঙ্গল- কমলগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, লাখো শহীদের রক্তে গড়া স্বাধীন দেশের মাটিতে সকল শহীদের মর্যাদা রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। ৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে আমরা নাম না জানা লাখো মুক্তিকামী যোদ্ধাদের হারিয়েছি। যাদের ত্যাগে আজ বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। সেই সব শহীদের স্মৃতিবিজরিত স্থানগুলো সংরক্ষণ করতে বর্তমান সরকার কাজ করছে।
মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থানসমূহ সংরক্ষণ ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ প্রকল্প ((CHSMMP) আওতায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার “সিন্দুরখান চা বাগান মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ” নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য আব্দুস শহিদ এমপি এসব কথা বলেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নজরুল ইসলাম, শ্রীমঙ্গল উপজেলা ডেপুটি কমান্ডার কুমুদ রঞ্জন দেব, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হুসেন ছমরু সহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সারির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাউপস্থিত ছিলেন।
৩৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের অধিনে এখানে দৃষ্টিনন্দন স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করার কথা রয়েছে।

৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে চা বাগান ঘেরা প্রত্যন্ত স্থানটিতে পাক হানাদার বাহিনী বহু মুক্তিযোদ্ধাদের ধরে এনে নির্মম নির্যাতন ও গণহত্যা চালায়। দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে স্থানটি চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীকালে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের দাবীর মুখে স্থানটি চিহ্নিত করে সরকার স্মৃতিসৌধ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office