শিরোনাম
১৪ মাস পর ডলার বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক এনসিসি ব্যাংকের বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে শিক্ষিকার মৃত্যু: ২ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান জে-ক্রিয়েশনের পৌনে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে আমন্ত্রণ করেনি ভারত: স্পিকার এমডি-সিইওদের মূল্যায়নের হিসাব নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুঁজিবাজারের উন্নয়নে জ্ঞান, দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বাড়ানো জরুরি

‘শাহিন হুজুর’কে গ্রেপ্তারের দাবি হেফাজত নেতাদের

অনলাইন ডেস্ক   |   রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১   |   প্রিন্ট   |   ১৯৯ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

‘শাহিন হুজুর’ পরিচয়ের এই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন হেফাজতের নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এই ছবি সরবরাহ করা হয়

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মাওলানা জসিম উদ্দিনের ওপর হামলার ঘটনায় ‘শাহিন হুজুর’ পরিচয়ের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা। তাঁদের ভাষ্য, এই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করলে হামলার মদদদাতাদের পরিচয় বেরিয়ে আসবে। কিন্তু পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তারে কার্যত ভূমিকা রাখছে না।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আজ রোববার বেলা ১১টায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর হেফাজতে ইসলাম। সেখানে এসব কথা বলা হয়।

লিখিত বক্তব্যে হেফাজত নেতারা বলেন, তাঁরা শাহিন নামের ওই ব্যক্তির পরিচয় বের করতে সক্ষম হয়েছেন। শাহিনের স্থায়ী ঠিকানা লালমনিরহাটে। তিনি আশরাফুল উলুম বড় কাটারা মাদ্রাসায় কিতাব বিভাগে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। তিনি মাদ্রাসায় শাহিন নাম পরিবর্তন করে মুশাহিদ রাখেন। তিনি পরিবার নিয়ে লালবাগে একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। হামলার দুই দিন পর ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি ছুটি নিয়ে মাদ্রাসা ছাড়েন। এরপর আর মাদ্রাসায় ফেরেননি। হেফাজতের নেতারা জানতে পেরেছেন, হামলার ঘটনার পর শাহিন লালবাগ কেল্লা মোড়ে তাঁর বন্ধুর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। লালবাগের যে বাসায় শাহিন থাকতেন, সে বাসায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁর পরিবারের কোনো সদস্যকে খুঁজে পায়নি।

hafjat

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরের সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি মাওলানা জসিম উদ্দিনের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এরপর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ১২ ফেব্রুয়ারি মাসুম আহমেদ ইমরান নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর মাসুম পুলিশকে জানায়, তিনি শাহিন হুজুর নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে এই হামলা করেন। পরে ১৪ ফেব্রুয়ারি মাসুমকে আদালতে পাঠানোর সময় নথিতে এই হামলার হুকুমদাতা হিসেবে পুলিশ শাহিন হুজুরের নাম উল্লেখ করেন। কিন্তু ঘটনার ২০ দিন পেরিয়ে গেলেও সেই শাহিনকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। জসিম উদ্দিন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। মামুনুল হকের অভিযোগ, শাহিনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের কার্যকর ভূমিকা তাঁদের চোখে পড়ছে না।

হেফাজতে ইসলামের সহকারী মহাসচিব জসিম উদ্দিনের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন। নসরুল হামিদ মিলনায়তন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ২৮ ফেব্রুয়ারি
হেফাজতে ইসলামের সহকারী মহাসচিব জসিম উদ্দিনের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন। নসরুল হামিদ মিলনায়তন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ২৮ ফেব্রুয়ারিছবি: মো. ছানাউল্লাহ
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম জেহাদী। তিনি বলেন, শাহিনকে গ্রেপ্তার করা হলে প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটিত হবে। এই হামলার বিচার আদায়ে যা যা করা দরকার, হেফাজত তার সবই করবে।

সংবাদ সম্মেলনে মামুনুল হককে প্রশ্ন করা হয়, এই হামলার পেছনে তাঁদের সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল আছে কি না? জবাবে মামুনুল হক বলেন, তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করে বলতে চান না। তাঁরা যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা থেকে ধারণা করে নিতে হবে। তবে শাহিন যে হামলার প্রকৃত হুকুমদাতা নন, সে ব্যাপারে তাঁরা নিশ্চিত। শাহিন অন্যদের মদদে মাসুমকে দিয়ে ওই হামলা করিয়েছিলেন।

হামলার শিকার হেফাজতে ইসলামের সহকারী মহাসচিব মাওলানা জসিম উদ্দিন রাজধানীর লালবাগ জামেয়া কোরআনিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার সুরা সদস্য ও জ্যেষ্ঠ মুহাদ্দিস। তিনি প্রয়াত মুফতি ফজলুল হক আমিনীর জামাতা। গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে লালবাগ মাদ্রাসা থেকে বাসায় ফেরার পথে তাঁকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। আজকের সংবাদ সম্মেলনে তিনিও উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির আতাউল্লাহ হাফিজি, ঢাকা মহানগরের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব জোনায়েদ আল হাবিব, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ফজলুল কারীম কাসেমী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সূত্র প্রথম আলো

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office