অনলাইন ডেস্ক: | বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | প্রিন্ট | ১৫৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ফাইল ছবি
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি জেগে উঠছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধানে নতুন করে কমিটি গঠন করা হচ্ছে, এতে নতুন জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সে জন্য আবার তাদের (সরকার) হৃৎকম্প উপস্থিত হয়েছে। এ জন্য তারা বিএনপির ওপর চড়াও হয়ে আক্রমণ করছে। সে জন্য আবারও ঘরে ঘরে গিয়ে পুলিশি আক্রমণ চলছে। হয়রানি হচ্ছে, তল্লাশি চলছে।
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘রাস্তায় নেমে স্লোগান দিতে হবে জোরে জোরে। তাহলেই হবে কাজ। সেটার জন্য প্রস্তুতি নাও। সময় এসেছে উঠে দাঁড়ানোর। সময় এসেছে সরকারকে পরিষ্কার করে বলে দেওয়ার যে তোমাকে আমরা আর চাই না। এখন বিদায় নিতে হবে এবং নির্বাচন দিয়ে দিতে হবে।’
আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে করোনা ও ডেঙ্গু হেল্প সেন্টারের উদ্বোধন করেন মির্জা ফখরুল। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়ে ফখরুল বলেন, একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীন নির্বাচন দিন। অন্যথায় পালানোর পথ খুঁজে পাবেন না।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে গণমাধ্যমের ভূমিকার সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, ‘১৯৭৫ সালে যখন বাকশাল হয়েছিল, তার আগে এক ব্যক্তির পূজা চলছিল। আজকে আবার একইভাবে এক ব্যক্তির পূজা শুরু হয়েছে। গত মঙ্গলবারের পত্রিকা দেখলে বোঝা যায়, কীভাবে সব গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। আবার তারা পুরোনো স্লোগান নিয়ে এসেছে, এক নেতা এক দেশ, হাসিনার বাংলাদেশ।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অনুষ্ঠানে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হবে না। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে দরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হবে না। সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন করবেন, আমরা তা মানি না। এই সরকারকে রেখে কোনো নির্বাচন করা যাবে না। সুতরাং জনগণের দাবি মেনে নিয়ে পদত্যাগ করুন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন নির্বাচন দিন, নিজেদের ভালো রাখুন। নইলে দেশে যে এক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, তার দায়দায়িত্ব আপনারা বহন করবেন।’
প্রশাসনকে দলীয় হাতিয়ার না হতে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে আব্বাস আরও বলেন, ‘যদি আওয়ামী লীগ তার অফিসের সামনে মিটিং করতে পারে, তাহলে আমরা কেন পারব না? যেদিন আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে মিটিং করা হবে, তার পরদিন বিএনপি অফিসের সামনে আমরা মিটিং করব।’