| রবিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২১ | প্রিন্ট | ১৪৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
উপন্যাস: অর্ধেক স্বর্গীয় মানবী -১ম পর্ব # জামিল আহমেদ
এখন ঢের সন্ধ্যা সূর্যাস্ত হয়েছে ক্ষণ আগে। সারাদিন পৃথিবীকে আলো দিয়েছে অনেক সূর্য শিশু ছিলো কৈশোরে ছিলো যৌবনে ছিলো। তারপর বৃদ্ধ বয়সে ডুবে গেল। পাখিরা ফিরছে নীড়ে, পথিকেরা পথে ব্যাস্ত কে যেন তাড়া করছে। প্রত্যেকেরই তো নিজ নিজ বসবাসের জায়গা আছে। কিন্তু সময় মানুষকে তার নিয়ন্ত্রণে কখনো কখনো নেয়। এতো জীবনের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয় যে, কেউ কারো খোঁজ রাখে না। ইচ্ছে করলেই রাখা যায় না। রাজশ্রী মাস্টার্স পাশ করেছে দুমাস আগে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে
দেশের নাম করা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। উত্তরের জানালার পাশে বসে কথাগুলো ভাবছে। খুব গভীর ভাবে। এখন শ্রাবণ মেঘের দিন। মেঘের পরে মেঘ আসে। ঠান্ডা হাওয়ায় হাওয়ায় শরীর শিউরে ওঠে হঠাৎ হঠাৎ। রাজশ্রীর বয়স সাতাশ বছর আজকে শেষ। আগামী কাল তার জন্মদিন। রাজশ্রীর বাবা নিউরোসার্জন মা গাইনী রোগ বিশেজ্ঞ আজকাল তো পেশায় সমান এমন বিয়ে হয়। নিজের পছন্দে যদিও এটা ব্রিটিশ আমল থেকে ই চলছে।
সেটেল ম্যারেজ খুব কম এখন। অ্যাফেয়ার ম্যারেজ ই বেশি। পৃথিবীতে নাকি আধুনিকতা বেড়েছে বেশ ভালো। জৈবিক চাহিদা মানব মানবীর ছিলো আছে থাকবে। এটা তো প্রাণীদের মধ্যে ও আছে। সৃষ্টিগত ব্যাপার। এর রহস্য সৃষ্টিকর্তাই ভালো জানেন। ধর্ম সিদ্ধ ভাবে করে নিলেই হয়। সমাজ স্বীকৃতি ও ধর্ম স্বীকৃতি প্রয়োজন। বৈধ মিলনে সন্তান উৎপন্ন হয়। তাকে হারামজাদী বা হারামজাদা বলা যায় না। জাদী, জাদা বলতে হয়।
এভাবেই পৃথিবীর নিয়মে চলছে।
জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে ঘর সংসার।
রাজশ্রীর মা এমন সময় সন্ধ্যা পূজা শেষে ডাকলো। রাজশ্রী কোথায় মা। এরই মধ্যে চিন্তার মোহ ভাঙলো রাজশ্রীর।