| বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | প্রিন্ট | ১৯২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
জল-মোহনায় প্লাবন 👉 পর্ব -১ #সৈয়দা শাহানাজ পারভীন
সে রাতে ঘুম ছিল না আঁখি যুগলে জলের। কি করেই বা ঘুমাবে কারণ আজ নিজ হাতে স্বীয় প্রেমিকাকে তুলে দিয়ে এসেছে অন্যের ঘরে। একবুক ভালবাসা ছাড়া তার যে কিছুই করার ছিল না। বড় লোক ছেলে পেয়ে হাজী দবির উদ্দীন তার স্নেহের একমাত্র মেয়ে “মোহনা” কে ধনাঢ্য পরিবারের একমাত্র ছেলে প্লাবন চৌধুরীর ” সাথে বিয়ে দিলেন।
“জল” ছিল “মোহনা”দের প্রতিবেশী। “মোহনা” খুব কেঁদে ছিল। “জল” নিজেকে সামলে নিয়েছিল এই ভেবে যে, পৃথিবীতে সব ভালবাসায় মিলন হয় না তা ছাড়া জলের লেখা পড়া শেষ হয়নি । তবুও বুকের ভেতর চিন চিন করে অসহনীয় ব্যথাটা বেড়েই চলছে। ঐ রাতে “জল” কিছু মুখে তুলতে পারে নি। মোহনাকে এত ভালবাসতো তাও সে বুঝতে পারে নি।
মোহনা বাসর ঘরে কেঁদে কেঁদে ঘুমিয়ে যায়। ভোরের হীমেল বাতাস আর রবির সিগ্ধ আলো ঘরে ঢুকতেই মোহনা ঘুম থেকে জেগে যায়। তাজা ফুলে ফুলে সজ্জিত ঘরটির চারদিকে তাঁকিয়ে কোথাও দেখতে পেলো না “প্লাবন” কে।
এমন সময় দরজা খুলে রুমে ঢুকলো প্লাবন। সালাম দিয়ে” মোহনা” জানতে চাইলো আপনি কোথায় ছিলেন? পরে সব বলছি তোমাকে। প্লাবন মোহনাকে ফ্রেশ হতে বলে। নিচে সবাই অপেক্ষা করছে ডাইনিং টেবিলে। দুজনে তৈরি হয়ে নাস্তার টেবিলে গিয়ে বসলো।
সকলে খুব আনন্দিত নতুন বউ কে নিয়ে। রূপে গুণে মোহনার সাথে কে যায়। একের পর এক এসে গহনা পড়াতে লাগলো। চৌধুরী বাড়ির রেওয়াজ বলে কথা।
তা ছাড়া মনসুর চৌধুরীর একমাত্র ছেলে প্লাবন চৌধুরী।
ভার্সিটিতে প্রথম দিন মোহনা ই এসে পরিচিত হয়েছিল জলের সাথে। প্রথম দেখাতেই জল মোহনার প্রেম এ পড়েছিল। তবে মোহনাকে ভালবাসি কথাটা সে কখনোই বলে নি। মোহনা সব সময় বলতো জল আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি। জল হাসতো আর খুব মিষ্টি করে বলতো সে আমি জানি তো।
চলবে-