শিরোনাম
কমিউনিটি ব্যাংকের এমডি হলেন ইমতিয়াজ উদ্দিন টেকসই পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও নদী রক্ষায় এডিবির সহযোগিতা প্রত্যাশা মন্ত্রীর বিরোধী দলকে সঙ্গে নিয়ে সংসদে রাজনৈতিক সংকটের সমাধান আসবে : মির্জা ফখরুল গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনে পর্যায়ক্রমে বসবে সৌর প্যানেল রাতে ন্যাশনাল ব্যাংকে ২৩ কোটি লেনদেন, ১৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে তলব সোমবার থেকে কাঁচামরিচ আমদানির কার্যক্রম শুরু হবে: কৃষিমন্ত্রী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড়: এনবিআর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন হাকালুকি হাওরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় হাজারো মানুষের ঢল

মিয়ানমার সীমান্তে অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে গুলি চালানো হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক:   |   মঙ্গলবার, ০৫ অক্টোবর ২০২১   |   প্রিন্ট   |   ১৪৯ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

এ কে আবদুল মোমেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মিয়ানমার দিয়ে অবৈধ অস্ত্র, মাদক চোরাচালান ও মানব পাচার বন্ধে প্রয়োজনে সীমান্তে গুলি চালানো হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ. কে. আব্দুল মোমেন।

তিনি বলেন, মিয়ানমার ও বাংলাদেশ বর্ডারে গুলি না চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে এখন থেকে গুলি চালানো হবে। তাহলে মানব, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান বন্ধ হবে।

সিলেটের এম. এ. জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আজ মঙ্গলবার ভারত সরকারের উপহারের অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিয়ানমার থেকে অস্ত্র আসছে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার জন্য। এই ব্যাপারে কূটনৈতিক লেভেলে মিয়ানমারের সঙ্গে কোন আলোচনা হচ্ছে কীনা? একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মি. মোমেন বলেন, “কালকে আমার সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আলাপ হয়েছে। আমরা তো খুব দানবীর দেশ। বর্ডারে কেউ আসলে আমরা মারি না। ভারত সরকার এবং বাংলাদেশ সরকার নীতিগত ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে বর্ডারে একটা লোক মরবে না।”

“বাংলাদেশ-মিয়ানমার বর্ডারে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমরা কখনো গুলি চালাবো না। কালকে আমার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আলাপ হয়েছে। আগামীতে আমরা গুলি চালাবো। তখন এই ধরণের অপকর্ম, ড্রাগ ট্রাফিকিং, হিউম্যান ট্রাফিকিং কিংবা এই অস্ত্র পাচার আগামীতে এগুলো আসা সম্ভব না।”

রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লার হত্যা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মি. মোমেন জানান, “আমরাও তদন্ত করে সঠিক তথ্য নিতে চাই কারা মারলো। তাদের শাস্তি হবে, কেউ ছাড় পাবে না।”

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মিয়ানমারের সাথে আমাদের ইতিহাস আছে। ১৯৭৮ সালে মিয়ানমার থেকে দুই লক্ষ রোহিঙ্গা আসছিল। আলোচনার মাধ্যমে নিয়ে যায়। ১৯৯২ সালে দুই লক্ষ ৫৩ হাজার আসে। মিয়ানমার সরকার আলোচনা সাপেক্ষে দুই লক্ষ ৩৬ হাজার নিয়ে যায়। বাকি কিছু ইউএনএইচসিআর এর আশ্রয়ে থাকে।”

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত তিনজনকে আটক করা হয়েছে
mohibullah
কক্সবাজারে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত তিনজনকে আটক করা হয়েছে

তবে রোহিঙ্গাদের সংখ্যাটা এবার বেশি হওয়াতে শঙ্কা অনেক বেশি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

“এবারের সংখ্যা ১১ লক্ষ। আমরা প্রত্যাবসনের জন্য জোর করি। ওরা লং টার্ম রিহাবিলেশনের চিন্তা করেন। বিভিন্ন ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি। গত চার বছর ধরে রাখাইনে কোন সংঘাত কোন মারামারি নেই। কিন্তু ওরা ওদের বলে না ওখানে যাও।”

“তাদের উদ্দেশ্য হল এখানে অনেক দিন থাকলে তাদের চাকরি অনেক দিন থাকে। এদের জন্য অনেক অনেক টাকা আসছে। এই টাকা কীভাবে খরচ হয় আমরা ঠিক সেটা জানি না। এটা দু:খজনক। আমাদের একমাত্র অগ্রাধিকার হচ্ছে রিপাট্রেশন। বাকি সব গুলো দ্বিতীয়।”

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office