শিরোনাম
বাংলাদেশিদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকটে কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি : বিজিএমইএ সভাপতি রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানি বন্ধ, চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ ১৪ মাস পর ডলার বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক এনসিসি ব্যাংকের বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে শিক্ষিকার মৃত্যু: ২ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান জে-ক্রিয়েশনের পৌনে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ

তিস্তা ও ধরলা বইছে বিপৎসীমার ওপরে, লালমনিরহাটে পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ

সারাদেশ ডেস্ক   |   সোমবার, ২০ জুন ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ২৪৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

সংগৃহিত ছবি

ভারী বর্ষণ ও ভারতের গজলডোবা ব্যারেজ থেকে ধেয়ে আসা পানিতে লালমনিরহাটে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, সোমবার বিকেলে জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ব্যারেজ পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অন্যদিকে শিমুলবাড়ি পয়েন্টে ধরলার পানি বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

হঠাৎ করে পানি বৃদ্ধির পর তিস্তা ও ধরলা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১০ হাজার পরিবার।

জেলার পাটগ্রাম উপজেলার আঙ্গরপোতা, দহগ্রাম, হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী, পাটিকাপাড়া, কালীগঞ্জের ভোটমারী, কাকিনা, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ও পলাশী, সদর উপজেলার মোগলহাট, কুলাঘাট, খুনিয়াগাছ, রাজপুর ও গোকুন্ডা ইউনিয়নের ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

আদিতমারী মহিষখোচা ইউনিয়নের দক্ষিণ বালাপাড়া চৌরাহা গ্রামের বাসিন্দা আমরোন বেগম বলেন, ‘এবারের বন্যা কেম্বা এমন। এই পানি বাড়ে, আবার কমে। শেষ পর্যন্ত যে কপালোত কি আছে হামার, আল্লাহ ভাল জানেন।’

একই এলাকার পানিবন্দি মনসের আলী বলেন, রোববার থেকে পানি অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। ঘরে কোমর পর্যন্ত পানি।পরিবার নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটছে তাদের। এখনও সরকারি বা বেসরকারি পর্যায় থেকে কোনো সাহায্য তারা পাননি বলে জানান।

পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, তিস্তা ও ধরলা নদীর ভাঙন রোধে বিভিন্ন জায়গায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর বলেন, জেলার ৫টি উপজেলার বন্যাকবলিত মানুষের জন্য ১৫০ মেট্রিক

টন চাল, শুকনো খাবার ও নগদ ১১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সেগুলো বিতরণের কাজ চলমান রয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office