শিরোনাম
সোমবার থেকে কাঁচামরিচ আমদানির কার্যক্রম শুরু হবে: কৃষিমন্ত্রী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড়: এনবিআর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন হাকালুকি হাওরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় হাজারো মানুষের ঢল শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান

নিখোঁজের পরদিন নদীতে মিলল দুই কলেজছাত্রের লাশ

সারাদেশ ডেস্ক   |   মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ১৪৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

সংগৃহিত ছবি

বগুড়ার শেরপুরে করতোয়া নদী থেকে দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঈদের আগের দিন গত শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের ধড়মোকাম নামাপাড়া ও খানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর এলাকা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে পুলিশ। লাশগুলো দুই কলেজছাত্রের বলে তাঁদের স্বজনরা শনাক্ত করেছেন।

নিহতরা হলেন-উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের মহিপুর জামতলা গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে সাব্বির আহম্মেদ শিশির ও শেরপুর শহরের বারোদুয়ারী হাটখোলা এলাকার মোজাফ্‌ফর হোসেনের ছেলে সামাম হোসেন ওরফে তাহমিদ। তাঁরা একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। সামাম পড়তেন শেরউড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ও শিশির বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে।

জানা গেছে, সামাম ও শিশির ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। দু’জনেই বাবা-মায়ের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিলেন। ৭ জুলাই তাঁরা বগুড়া শহরে বেড়াতে যান। রাত সাড়ে ১২টায় ফিরে উভয়ে সামামের বাসায় রাতযাপন করেন। পরদিন সকাল ৭টায় দু’জনে বাড়ি থেকে বের হয়ে পার্শ্ববর্তী একটি দোকান থেকে এক বোতল পানীয় কিনে সামাম তাঁর মাকে ফোন করে টাকা দিতে বলেন। তাঁর মা টাকা পরিশোধে অস্বীকৃতি জানালে সামাম বলেন, ‘ঠিক আছে, তোমাকে আর কোনো দিন টাকা দিতে হবে না!’ এদিকে শিশিরও তাঁর মায়ের কাছে ১০ হাজার টাকা চেয়েছিলেন। আবদার অনুযায়ী টাকা না পেয়ে আর বাসায় ফেরেননি তিনি। এরপর তাঁরা আর পরিবারের ফোন রিসিভ করেননি। ৯ জুলাই সকালে তাঁদের লাশ পাওয়া যায়। নিহতদের জুতা ও মোবাইল ফোন নদীর পাড়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।

সামামের এক স্বজন বলেন, ৮ জুলাই বিকেলে সামামের বাবা ছেলের মোবাইল ফোনে কল দিলে এক শিশু তা রিসিভ করে। শিশুটি ওই ফোন নদীর পাড়ে পাওয়ার কথা জানালে সংশ্নিষ্ট এলাকায় অনুসন্ধান চালানো হয়।

শেরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, সামাম ও শিশির পরিবারের ওপর অভিমান করে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাঁদের মৃত্যুর পেছনে আরও কোনো কারণ আছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office