শিরোনাম
সোমবার থেকে কাঁচামরিচ আমদানির কার্যক্রম শুরু হবে: কৃষিমন্ত্রী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড়: এনবিআর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন হাকালুকি হাওরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় হাজারো মানুষের ঢল শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান

মামলার হুমকির পর ক্ষমা চাইলেন ছাত্রলীগ কর্মীরা

রাজনীতি ডেস্ক   |   মঙ্গলবার, ২৩ অগাস্ট ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ১০৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

সংগৃহিত ছবি

ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার দুই নেতাকে মারধর করে অবশেষে ক্ষমা চেয়েছে ছাত্রলীগের একদল কর্মী। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে রীতিমতো সংবাদ সম্মেলন করে তাঁরা ক্ষমা চান। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার হুমকি দেওয়ার পরপরই তাঁরা নমনীয় হন। এ সময় ছাত্র অধিকার পরিষদ এবং মানবাধিকারবিষয়ক শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘স্টুডেন্টস অ্যাগেইনস্ট টর্চারের’ (স্যাট) নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
গত শুক্রবার ঢাবির কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে ছাত্র অধিকারের ঢাবি শাখার দপ্তর সম্পাদক আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সালেহউদ্দিন সিফাত ও অর্থ সম্পাদক আহনাফ সাঈদ খানকে মারধর করেন ছাত্রলীগের কর্মীরা।

মারধরে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মীরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী তানজিল তুষার, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের হেদায়েত উল্লাহ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ইত্তেজা হোসেন রাকিব, পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের আব্দুল্লাহ আল মাসুরুর রুদ্র, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সুমন আলী ও রোকনুজ্জামান রোকন।

অভিযুক্তদের পক্ষে ইত্তেজা বলেন, ‘আমাদের এক বন্ধুকে মারধর করার ভুল তথ্য পেয়ে আমরা সেখানে যাই এবং অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে তাদের আঘাত করে বসি। এর দায় সম্পূর্ণ আমাদের, ছাত্রলীগের নয়। ছাত্রলীগ থেকে আমাদের (মারধরের) আদেশ করা হয়নি।’
স্যাটের প্রতিনিধি আনাস ইবনে মুনির বলেন, এ ঘটনায় তাঁরা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। পরে অভিযুক্তরা সমঝোতায় আসতে চেয়েছেন। তাঁরা এটি নিয়ে অনুতপ্ত। তাই তাঁরা মামলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন।
ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন বলেন, এটি একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল। তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে এবং ক্ষমা চেয়েছে। আশা করছি, ভবিষ্যতে কোনো ছাত্রলীগ কর্মী ক্যাম্পাসের কোনো শিক্ষার্থীর ওপর নির্যাতন করবে না। আমরা চাই, ক্যাম্পাসে সব শিক্ষার্থীর সহঅবস্থান নিশ্চিত হোক।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office