| সোমবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | প্রিন্ট | ১৯৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
রাজশ্রী মুখ ফিরিয়ে তাকাল মায়ের মুখের দিকে। রাজশ্রী র মা জিজ্ঞেস করল কিরে সন্ধ্যা পূজায় তুই আসিস নি কেন? রাজশ্রী বলল না মা ভাবছি মাস্টার্স কমপ্লিট করলাম এখন কী করবো। শুধু শিক্ষিত হলে হয়। শিক্ষাটা মানুষের জন্য কাজে লাগাতে হয়। রাজশ্রীর মা বললো এতো ভাবতে নেইরে বেশী ভাবলে রোগী হয়ে যাবি
তাহলে আয় এখন সরস্বতীর পূজাটা দিয়ে আয়। আমি তোর জন্য চিকেন নুডলস্ রান্না করছি। সরস্বতী পূজা আর লক্ষী পূজা একটি ঠাকুর ঘর। ব্রাহ্মণ প্রতিটি পরিবারে থাকে। ফুল আর সুগন্ধী দিয়ে ভগবানের তুষ্টি অর্জন করা যায়। এটা সেই সনাতন ধর্মাবলম্বী দের রীতি অনুযায়ী চলে আসছে। পৃথিবীতে মূল ধর্ম চারটি। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান। এই চারটি ধর্ম পালন করেন পৃথিবীর ৮০%ভাগ মানুষ। এর পরে কত মতবাদ আছে। কে জানে তার বৃত্তান্ত। পৃথিবী একটা খেলা ঘর
বা রহস্য ঘর বলা যায়। কেউ শ্মশান এ যায়, কেউ গোরস্থানে তারপর কোথায় যায় কে জানে। কেউ জানেনা। ম্যান ইজ মর্টাল। এটা সবাই জানে। রাজশ্রী এরই মধ্যে পূজা শেষ করে ডাইনিং রুমে গিয়ে বসে জল খাচ্ছে। রাজশ্রী র মা চিকেন নুডলস্ নিয়ে হাজির। রাজশ্রী র সাথে রাজশ্রী র সম্পর্ক বান্ধবীর মতো। রাজশ্রী র প্রথম পিরিয়ড শুরু হয়েছে সেই বার বছর বয়সে তখন খুব লজ্জা পেত কোনো কিছু বলতে চাইতো না মায়ের কাছে। কিন্তু রাজশ্রী র মা বললো এতে লজ্জার কিছু নেই। আমি তো তোর মা তাছাড়া আমি একজন চিকিৎসক। প্রথম যৌবন শরীরে এলে কখনো উষ্ণ কখনো শীতল লাগে। পৃথিবীর প্রকৃতির এই ধারায় কখনো বর্ষা কখনো শীত কখনো বসন্ত । তেমনি শরীরের ও উত্তাপ বাড়ে কমে। মানব শরীরে শুধু রক্ত আর জল বহে না যৌবনও বহে। পৃথিবীর চাষ তো মানব আর মানবী দিয়ে সেই কবে থেকে কোটি কোটি বছর গেছে পার তারই ক্রম ধারায় অদ্যবধি চলছে। মনে যখন নারী পুরুষের তোফান আসে, তখন নিজেকে সামলে রাখতে কঠিন হয়ে পড়ে। আমি প্রাগৈতিহাসিক যুগের কথা বলছিনা, বলছি পৃথিবী সৃষ্টির অদ্যবধি। রক্তের মধ্যে যত উপাদান তার মধ্যে জৈব রসায়ন কম নেই। রাজশ্রী সেই শৈশব থেকে বেড়ে উঠেছে ফুলের মত করে না কোনো প্রেম সে করেনি বা ভালোবাসা তাকে স্পর্শ করেনি। সমস্ত শরীরে যৌবন গচ্ছিত আছে। কোনো এক পুরুষের জন্যে