শিরোনাম
শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে কামরুল-জসিম প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয় শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগ থেকে বাঁচানো সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে কমবে মামলার জট : আইনমন্ত্রী মানবপাচার-অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে সরকার কঠোর অবস্থানে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ওয়াজ-মাহফিল ও পিকনিক বন্ধ রাখার প্রস্তাব

অনলাইন ডেস্ক   |   সোমবার, ২৯ মার্চ ২০২১   |   প্রিন্ট   |   ৫৩৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

করোনা সংক্রমণের মধ্যেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ফাইল ছবি

করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে পিকনিক ও ওয়াজ-মাহফিল বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে হাসপাতাল ভবনের উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেছেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশে করোনা আক্রান্তের হার ছিল মাত্র ২ শতাংশের মতো। আর এখন সেটি হয়ে গেছে প্রায় ১৩ শতাংশ। প্রতিদিনই আক্রান্ত ও মৃত্যু সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই মুহূর্তে করোনার উৎপত্তিস্থল বন্ধ করতে না পারলে দেশের অর্থনীতির চাকা থেমে যেতে পারে, মানুষের আর্থিক বড় রকমের সংকট হতে পারে। এ বিষয়গুলি মাথায় রেখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে বেশকিছু প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে।

প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইন জুমে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি।

প্রস্তাবনার মধ্যে রয়েছে

১. যেসব এলাকায় এখন সংক্রমণের হার বেশি সে এলাকাগুলিতে সম্ভব হলে আংশিক লকডাউন করা।

২.বিনোদন কেন্দ্রগুলি বন্ধ রাখা।

৩. পিকনিক, ওয়াজ-মাহফিল বন্ধ রাখা।

৪. বিয়ে-সাদির অনুষ্ঠান সীমিত করা।

৫. কোয়ারান্টাইন ব্যাবস্থা জোরদার করা।

৬.সকল যানবাহন,বাস, স্টিমারে যাত্রী অর্ধেক বা তারো কম রাখা।

৭. অফিস আদালতে কম আসা-যাওয়া করা।

৮. মুখে মাস্ক ছাড়া কোন সার্ভিস ব্যবস্থা না রাখা।

৯. মোবাইল কোর্ট বাড়িয়ে দিয়ে জরিমানা ব্যবস্থা জোরদার করাসহ আরো বেশকিছু প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে আগামী ২-৩ দিনের মধ্যেই এ ব্যাপারে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হবে।

জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের পরিচালক প্রফেসর মীর জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আব্দুল মান্নানসহ অন্যান্য অতিথিরা।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office