শিরোনাম
হাম ও উপসর্গে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৯৫ দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির মুক্তিযোদ্ধাকে কবর দিতে বাধা প্রদানকারীদের এর পরিণতি ভোগ করতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা কুলাউড়ায় হাজীপুর ইউনিয়ন প্রবাসী পরিষদের আংশিক কমিটি গঠন জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী কুলাউড়ায় আদেশ কোম্পানির চেয়ারম্যান-এমডির বিরুদ্ধে ২৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু ‘আগামী অর্থবছরের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে বড় পরিবর্তনের লক্ষ্য সরকারের’ নিরাপদ খাদ্যের সব কার্যালয় ধূমপানমুক্ত ঘোষণা আজকের শিক্ষার্থীরাই জাতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব: রাষ্ট্রপতি

কুলাউড়ায় আদেশ কোম্পানির চেয়ারম্যান-এমডির বিরুদ্ধে ২৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি   |   সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৭৯ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

কুলাউড়ায় আদেশ কোম্পানির চেয়ারম্যান-এমডির বিরুদ্ধে ২৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা

মৌলভীবাজারে কুলাউড়ায় আদেশ বাংলাদেশ লি: নামে একটি কোম্পানীর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে ২৬ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে মামলা করেছেন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত এক সার্জেন্ট। টাকা উদ্ধারের বিষয়ে কুলাউড়া ও মৌলভীবাজারে দফায় দফায় সালিশ বৈঠক হলেও কোম্পানীর চেয়ারম্যান ও এমডি একাধিকবার তারিখ করেও টাকা প্রদান না করায় সম্প্রতি ভুক্তভোগী কুলাউড়ার হাজীপুর ইউনিয়নের মাদানগর গ্রামের বাসিন্দা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মোঃ নজরুল ইসলাম মৌলভীবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (মামলা নং-সিআর ৬৪২/২৬ (কুলা) দায়ের করেন। এদিকে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতিকার চেয়ে গত ২৩ অক্টোবর মৌলভীবাজার জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে নজরুল ইসলাম লিখিত বক্তব্যে বলেন, আদেশ কোম্পানি নামে একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে ব্যবসার প্রলোভন দেখিয়ে নানা কৌশলে প্রতারণা করে আমার কাছ থেকে ২৬ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন কোম্পানির চেয়ারম্যান রুবিনা বেগম ও তাঁর স্বামী ব্যবস্থাপনা পরিচালক কয়ছর আহমদ। এমনকি আমার বাসা তারা ভাড়াও নেয়। ২৬ লক্ষ টাকার মাসিক মুনাফা দেয়ার কথা থাকলেও টাকা নেয়ার পর থেকে চুক্তিভঙ্গ করে একটি টাকাও দেয়নি রুবিনা বেগম ও কয়ছর আহমদ। পরবর্তীতে এসব ঘটনায় একাধিক সালিশ বৈঠক হয় কিন্তু আজও অবধি আমার টাকা পাইনি। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভিযুক্ত কয়ছর আহমদ আমাকে ২৬ লক্ষ টাকার দুটি চেক প্রদান করলে আমি সেটি নিয়ে ব্যাংকে যাই। কিন্তু চেকটি ডিজঅনার হয়। পরবর্তীতে আমি বাধ্য হয়ে আদালতে চেক ডিজঅনার মামলা দায়ের করি। উক্ত মামলা দায়েরের পর থেকে অভিযুক্তরা বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে মামলা প্রত্যাহার করার জন্য চাপ প্রয়োগ করছে। এমনকি আমার বাসার ভাড়া বাবদ ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ না করে নানা টালবাহানা করছেন। বর্তমানে ২৬ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে সময়মত ফেরত না পাওয়ার কারণে চরম মানবেতর জীপনযাপন করছি। এছাড়া আমার প্রাপ্ত টাকা না দিয়ে হুয়রানির উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে আদালতে একটি সাজানো মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে কয়ছর আহমেদের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে মুঠোফোনে বলেন, মামলা চলমান থাকাবস্থায় তিনি কিভাবে সংবাদ সম্মেলন করলেন সেটি আমি জানিনা। আমি তার কাছ উল্টো ৫৭ লক্ষ টাকা পাবো। উনি আমার ছয়টি চেক বই নিয়ে গেছে সেটি উদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা করেছি।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office