শিরোনাম
বাংলাদেশিদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকটে কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি : বিজিএমইএ সভাপতি রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানি বন্ধ, চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ ১৪ মাস পর ডলার বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক এনসিসি ব্যাংকের বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে শিক্ষিকার মৃত্যু: ২ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান জে-ক্রিয়েশনের পৌনে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ

গত চার মাসের মধ্যে দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক:   |   রবিবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ১৮১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মোট ৩৪ জন মানুষ মারা গেছেন।

এর আগে সর্বশেষ ৩১ জন মারা গিয়েছিলেন সেপ্টেম্বর মাসের ২৪ তারিখে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণে ২০২১ সালে সংক্রমণ এবং মৃত্যু ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল, এবং একদিনে সর্বোচ্চ ২৬৪ জন মানুষ মারা গিয়েছিলেন ১০ই অগাস্ট।

এরপর ধীরে ধীরে মৃত্যুর সংখ্যা কমতে শুরু করে, এবং এক পর্যায়ে দৈনিক মৃত্যু শূন্যতেও নেমে এসেছিল।

কিন্তু ডিসেম্বরের শেষ দিকে অমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই আবার সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার একটু একটু করে বাড়তে শুরু করেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত নতুন করে ১২ হাজার ১৮৩ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

দেশে এ নিয়ে মোট ১৭ লাখ ৮৫ হাজার ৩৩২ জন রোগী শনাক্ত হলেন।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানালেন মন্ত্রী
করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক রোববার এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

সেখানে তিনি বলেন, সংক্রমণের প্রকৃত চিত্র এখনো পাওয়া যাচ্ছে না, কারণ অনেকেই এখন নমুনা পরীক্ষা করাতে যাচ্ছেন না।

তিনি বলেন, “আক্রান্তের সংখ্যা আমি মনে করি আরো বহুগুণ বেশি রয়েছে। কিন্তু আমরা সে তথ্য পাচ্ছি না, কারণ অনেকেই পরীক্ষা করাতে আসছে না। হয়ত দশ বা ১২ হাজার লোক পরীক্ষা করাচ্ছে, সেই তথ্য আমরা পাচ্ছি।”

এজন্য সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, উপসর্গ মৃদু বলে হালকা বলে উড়িয়ে দেয়া ঠিক হবে না, সতর্ক হতে হবে । তাহলেই আমরা ভালো থাকতে পারবো।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সবাইকে সতর্ক করে বলেন, “অমিক্রন আসার আগে সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে দিনে চারশো থেকে পাঁচশো রোগী থাকত, কোথাও তার থেকেও কম রোগী থাকত। এখন সেটা আড়াই থেকে তিন হাজারে উঠে গেছে।

এখন যেভাবে বাড়ছে তাতে হাসপাতালের বেডগুলো অচিরেই ভরে যাবে এবং মৃত্যু বেড়ে যাবে।”

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, কোভিডে আক্রান্ত কারো শরীরে কোনো উপসর্গ না থাকলেও তারা অন্যদের দেহে ভাইরাস সংক্রমিত করতে পারে।

উপসর্গ-বিহীন রোগীদের কাছ থেকে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি অপেক্ষাকৃত বেশি কারণ এরা সাধারণত আইসোলেশনে থাকে না বা সাবধানী হয় না।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office