শিরোনাম
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান জে-ক্রিয়েশনের পৌনে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে আমন্ত্রণ করেনি ভারত: স্পিকার এমডি-সিইওদের মূল্যায়নের হিসাব নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুঁজিবাজারের উন্নয়নে জ্ঞান, দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বাড়ানো জরুরি গত পাঁচ মাসে হামের টিকা পেয়েছে প্রায় দুই কোটি শিশু গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে: রাষ্ট্রপতি শরীফপুর ইউনিয়নে শামছুল হকের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

চবিতে ফের ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, লাঠিসোঁটা–রামদা নিয়ে মহড়া

অনলাইন ডেস্ক:   |   বুধবার, ০৯ মার্চ ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ২১৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

ফাইল ছবি।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দুই উপপক্ষের মধ্যে আবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুরোনো শত্রুতার জের ধরে আজ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ছাত্রলীগের উপপক্ষ বিজয় ও সিএফসির মধ্যে এ সংঘর্ষ বাঁধে। এতে দুই কর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

গতকাল মঙ্গলবারও এ দুই উপপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। ওই দিন অর্থনীতি বিভাগের র‍্যাগ ডে ছিল। এ উপলক্ষে সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের মিলনায়তনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠান দেখতে যান সিএফসির কয়েকজন কর্মী। কিন্তু বিজয়ের কর্মীরা তাঁদের মিলনায়তনে ঢুকতে দেননি বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা ও পরে দুই হলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

বিজয় ও চুজ ফ্রেন্ডস উইথ কেয়ার (সিএফসি) দুই উপপক্ষই শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর অনুসারী। আজকের ঘটনার জন্য দুই উপপক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করেছে। সিএফসির নেতৃত্বে আছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক ও বিজয়ের নেতৃত্বে সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইলিয়াছ।

ছাত্রলীগ সূত্র বলছে, সন্ধ্যায় বিজয়ের নেতা ও সাবেক সহসম্পাদক মাহমুদুল হাসান আবদুর রব হলের ঝুপড়িতে যান। সেখানে সিএফসির কর্মীদের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে বিজয়ের নেতা-কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে ও সিএফসির নেতা-কর্মীরা শাহ আমানত হলের সামনে এসে জড়ো হন। এ সময় দুই উপপক্ষের নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা ও রামদার মহড়া দেন। একপর্যায়ে একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। হয় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া। সংঘর্ষে দুই কর্মী আহত হন।

এদিকে রাত ৮টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলার পর পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। তবে ক্যাম্পাস উত্তপ্ত রয়েছে। আহত একজনকে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

সংঘর্ষের বিষয়ে সভাপতি রেজাউল হক বলেন, ‘মাহমুদুল হাসান একজন চাঁদাবাজ। তিনি আবদুর রব হলের ঝুপড়িতে চাঁদাবাজি করতে গিয়েছিলেন। পরে নেতা-কর্মীরা তাঁকে প্রতিহত করেছেন।’

আর সাবেক সহসম্পাদক মাহমুদুল হাসান বলেন, রেজাউল হকের নির্দেশে জুনিয়র কর্মীরা তাঁকে ধাক্কা দিয়েছে। তিনি জুনিয়র কর্মীদের কাউকেই চেনন না। উদ্দেশ্যমূলকভাবে এটি করা হয়েছে।

বিজয়ের নেতা ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, ‘সিএফসির নেতা-কর্মীরা সভাপতি রেজাউল হকের ‘‘পাওয়ার’’ দেখিয়ে অর্থনীতি বিভাগের অনুষ্ঠানে ঝামেলা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিজয়ের কর্মীরা প্রতিহত করেন। আজও তাঁদের এক নেতাকে ধাক্কা দিয়েছেন। কোনো কারণ ছাড়াই ঝামেলা করছেন।’

তবে রেজাউল বলেন, ‘বিজয়ের কয়েকজন কর্মীকে ফাও খেতে না দেওয়ায় সোহরাওয়ার্দী হলের বাবুর্চিকে মারধর করেছে তারা। এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে সংঘর্ষ লাগিয়েছে।

সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী প্রক্টর শহিদুল ইসলাম বলেন, গতকাল রাতের ঘটনার জের ধরে আজ আবার সংঘর্ষ বাঁধে। পরে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন। এখন ক্যাম্পাস শান্ত।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের রাজনীতি দুপক্ষে বিভক্ত। একটি পক্ষ সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী ও আরেকটি শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসানের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত। দুটি পক্ষের আবার ১১টি উপপক্ষ রয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office