শিরোনাম
শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে কামরুল-জসিম প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয় শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগ থেকে বাঁচানো সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে কমবে মামলার জট : আইনমন্ত্রী মানবপাচার-অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে সরকার কঠোর অবস্থানে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দাম কমেছে ডিম-কাঁচামরিচের

অর্থনীতি ডেস্ক   |   শনিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ৯২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

সংগৃহিত ছবি

মাসখানেক আগের কথা। নানা ছুতায় বাজারে বেড়েছিল কাঁচামরিচের দাম। প্রতি কেজি মরিচের দাম ছাড়িয়ে গিয়েছিল ২৫০ টাকা। পণ্যটির আকাশছোঁয়া এ দামে ক্রেতারা ছিলেন অস্বস্তিতে। তবে ফলন ভালো হওয়ার পাশাপাশি ভারত থেকে আমদানি শুরু হলে দাম কমতে থাকে। এক মাসের ব্যবধানে দাম চার ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে। একইভাবে পরিবহন ভাড়া বেড়ে যাওয়ার অজুহাতে কয়েক ধাপে বেড়ে ১৬০ টাকায় পৌঁছেছিল ডিমের ডজন। সরকারের উদ্যোগে প্রতি ডজন ডিমে দাম কমেছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। বলা চলে, এ দুই খাদ্যপণ্যের দাম যেভাবে বেড়েছিল, কমেছে সেভাবেই।

ডিম ও কাঁচামরিচের দাম কমলেও কমেনি মুরগির দাম। এ ছাড়া শাকসবজির বাজারেও অস্থিরতা বিরাজ করছে।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, তেজকুনিপাড়া ও হাতিরপুল বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ। সপ্তাহ দুয়েক আগেও এক কেজি মরিচ কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হয়েছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্ষার কারণে মরিচ ক্ষেত পানিতে ডুবে গেলে উৎপাদন কমে যায়। কিন্তু আবারও উৎপাদন বাড়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। তাই দাম কমতির দিকে।

কারওয়ান বাজারের মরিচ বিক্রেতা আবুল কালাম বলেন, মাঝে কয়েক দিন বৃষ্টি বেশি থাকায় মরিচের ক্ষেতে পানি জমেছিল। তখন গাছ মরে যাওয়ায় ফলন কমেছে। এখন ফলন ভালো হচ্ছে। বাজারে আসছেও বেশি। তাছাড়া আমদানি করা মরিচের সরবরাহও বেড়েছে। তাই দামও কমতির দিকে।

ডিমের দামও কমেছে। জ্বালানির মূল্য বাড়ায় দফায় দফায় বাড়ে ডিমের দাম। ১৬০ টাকা উঠেছিল প্রতি ডজন ডিমের দাম। তবে হালি হিসেবে দর ছিল আরও বেশি। প্রতি হালি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হতো। এরপর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিম আমদানির উদ্যোগের আভাস ও জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের কঠোর বাজার তদারকিতে দাম কমতে শুরু করে। বর্তমানে ডিমের ডজন পাওয়া যাচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়।

ডিমের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে যৌক্তিক কোনো কারণ দাঁড় করাতে না পারলেও সরবরাহ বাড়ার কারণে দাম কমছে বলে জানান খুচরা ব্যবসায়ীরা। তেজকুনিপাড়া এলাকার মুরগি ও ডিম বিক্রেতা রায়হান বলেন, পাইকারি বাজারে ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। বাজারে ডিমের সরবরাহ বেড়েছে বেশি। এ কারণে দাম কমে আসছে।

তবে ব্রয়লার মুরগির দাম কমেনি। আগের মতোই ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সোনালি জাতের মুরগিও আগের দরে ২৮০ থেকে ২৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজির বাজারে এখনও স্বস্তির দেখা মেলেনি। দু-একটি ছাড়া বেশিরভাগ সবজির দাম ৫০ টাকার ওপরে। তবে শিম, গাজর ও টমেটোর কেজি ১০০ টাকারও বেশি। শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়, টমেটো ১০০ থেকে ১২০ এবং গাজর ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office