রাজনীতি ডেস্ক | সোমবার, ২৫ জুলাই ২০২২ | প্রিন্ট | ১৬৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সংগৃহিত ছবি
দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে নির্দেশনা দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে ঢাকা-৪ নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ভোটকেন্দ্র ভিত্তিক ইউনিটে গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ছাত্রনেতা ড. মো. আওলাদ হোসেন।
তিনি বলেন, চলমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে বিশ্বে সম্ভাব্য খাদ্য সংকট মোকাবিলায় উৎপাদন বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রতিটি ওয়ার্ড ও ভোটকেন্দ্র ভিত্তিক ইউনিট কমিটির নেতাকর্মীদের উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে লোডশেডিংয়ের কারণগুলো এবং সারাবিশ্বে সৃষ্ট সংকট সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন। এছাড়া স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত ও তাদের দোসর জনবিচ্ছিন্ন বিএনপির সন্ত্রাসীরা যেন মিথ্যা তথ্য প্রচার করে দেশে বিরাজমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার সুযোগ না পায়, সে বিষয়েও সজাগ থাকতে হবে।
রোববার সন্ধ্যায় কর্মীসভা ও গণসংযোগ কর্মসূচি বাস্তবায়নের তৃতীয় দিনে পশ্চিম জুড়াইন ৪নং ইউনিট (পাইপ রাস্তা) আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. ফিরোজ জামানের বাসভবন সংলগ্ন খোলা চত্বরে ৫৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত মুফতির সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ৫৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এ সভার আয়োজন করে।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক সহকারী একান্ত সচিব ড. আওলাদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া প্রতিশ্রুতি হিসেবে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। বিদ্যুতের আলো এখন দেশের প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে, দ্বীপ ও দুর্গম পাহাড়ি এলাকায়ও। অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে যেসব এলাকায় যুগের পর যুগ বিদ্যুতের আলো পৌঁছায়নি, সেসব এলাকার বাসিন্দাদেরও স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, কিছু দুর্গম পার্বত্য এলাকা বাদে এরইমধ্যে দেশের ৯৯.৮৫ শতাংশ এলাকা বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। সবাই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা ভোগ করছিল। সম্প্রতি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক সংকটে আন্তর্জাতিক বাজারে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপকরণ গ্যাস ও জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিভিন্ন উন্নত দেশেও বিদ্যুতের জন্য হাহাকার চলছে। বাংলাদেশেও বিদ্যুৎ বিভাগকে বাধ্য হয়ে লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে সেপ্টেম্বর অতিক্রান্ত হওয়ার পর গরমের প্রভাব কমতে থাকবে, সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের সংকটও কমতে থাকবে। এছাড়া আগামী ফেব্রুয়ারিতে কয়লা দিয়ে পরিচালিত রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনে শুরু হবে। পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজও শেষ হয়েছে। সঞ্চালন লাইনের কাজ চলছে। তাই দ্রুতই চলমান সংকট মোকাবিলা করতে পারবে বিদ্যুৎ বিভাগ। লোডশেডিং থাকবে না।
কর্মীসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কদমতলী থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ নাছিম মিয়া, শ্যামপুর থানা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক, মহানগর ও ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি শরীফ মো. শাহজাহান, ঢাকা জেলা পরিষদের সদস্য শ্যামপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন, কদমতলী থানা আওয়ামী লীগ সদস্য ও মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক শহিদ মাহমুদ হেমী।
অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের সদস্য রোকসানা বেগম পারুল, ৫৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ জামান, মো. রমজান আলী, ৫৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মো. আরিফ হোসেন, ৫২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর খান, ৫৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা আলী ইসলাম, মো. জাকির হোসেন, শওকত হোসেন, ৫২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা আওলাদ হোসেন, ৫৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা রনি, মোহাম্মদ আলী, ইমাম হোসেন, ৫৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা আজিজুল ইসলাম খোকন, মো. সোলায়মান, মো. দেলোয়ার প্রমুখ।