| রবিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২২ | প্রিন্ট | ১৮৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
লায়লা পারভীন কেয়া’র কবিতা ‘নারী দিবস’
কেউ নারী হয়ে জন্মায়না, জন্মায় মানবশিশু হয়ে,
ক্রমশঃ সে একদিন নারী হয়ে উঠে।
পারিবারিক পারিপার্শিক সামাজিক অবকাঠামোর ভিত্তিতে
মানব শিশুটি ক্রমেই নারী হয়ে উঠতে বাধ্য হয়।
তবু নারীই করেছে নারী মুক্তির সংগ্রাম।
তাইতো সতীদাহ প্রথার অবসান হয়েছে
কন্যা শিশুর জীবন্ত কবর বিলুপ্ত হয়েছে,
বিধবা প্রথার উচ্ছেদ হয়েছে,
বাল্যবিবাহের আইন হয়েছে,
নিষিদ্ধ নারীশিক্ষার হয়েছে অবসান।
অন্তঃপুরির শৃঙ্খলে বাঁধা নারী ছিন্ন করেছে
পায়ের শেকল, ভেঙ্গেছে কুসংস্কারে বাঁধা বাহুডোর।
বেরিয়েএসেছে স্বাধীনতার স্বাদ নিতে মুক্ত আকাশের
উদার প্রাঙ্গনে, মুক্ত বাতাসের বাহু ডোরে।
স্বাধীনতা তাকে হরণকরেনি, বরং
করেছে বলিষ্ঠ চেতনায় ব্যাক্তিত্বময়ী।
নির্যাতনের শিকল ছিঁড়ে বেরিয়ে এসে
হয়েছে আত্মকর্মে সংগ্রামী।
স্বাধীনতা তাকে প্রকাশ করেছে, করেছে তারে বিকাশ।
সকল ক্ষেত্রে নারীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহন আজ,
নারীকে পেরুতে হয়েছে বহুদূরের কর্দমাক্ত ইতিহাস।
বৈষম্যহীন হবে নারী একদিন,নারী তার অধিকার
প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে।
সময়ের পরিবর্তনে,শিক্ষার সচেতনাতে,নিষ্ঠা একাগ্রতায়,
বলিষ্ঠ সাহসী সংগ্রামে,প্রানান্ত প্রচেষ্টায় আজকের সফলও
স্বাধীন নারী,আজকের স্বাধীন মানুষ।
তবুও পথ পাড়ি দিতে এখনো বাকি আছে বহুদূর।