শিরোনাম
শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে কামরুল-জসিম প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয় শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগ থেকে বাঁচানো সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না : তথ্যমন্ত্রী সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে কমবে মামলার জট : আইনমন্ত্রী মানবপাচার-অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে সরকার কঠোর অবস্থানে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২০ হাজার কোটিতে বিক্রি ১১ কোটি নাগরিকের তথ্য

জাতীয় ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৪   |   প্রিন্ট   |   ৭৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

সংগৃহীত ছবি

নির্বাচন কমিশনের ডেটা সেন্টারে সংরক্ষিত বাংলাদেশি ১১ কোটির বেশি নাগরিকের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ৪৬ ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি হয়েছে। এ ঘটনায় ২০ হাজার কোটি টাকার লেনদেনের প্রাথমিক তথ্য পেয়েছে তদন্ত সংস্থা। এ ঘটনায় ঢাকার কাফরুল থানায় সাইবার আইনে একটি মামলা হয়েছে। তাতে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র ও তাঁর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর বাইরে আরও ১৫-২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

বুধবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে উপকমিশনার (ডিসি) তালেবুর রহমান এ কথা বলেন। তিনি বলেন, তথ্য চুরির ঘটনায় মামলার এজাহারনামীয় আসামি ডেটা সেন্টারের সাবেক পরিচালক তারেক এম বরকতউল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে এ কাজের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে।

তালেবুর বলেন, নাগরিকদের ৪৬ ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রয়ের মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এতে অনেক সংস্থা জড়িত। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলেরও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।

ডিজিকন গ্লোবাল সার্ভিসেসের কাছে কম্পিউটার কাউন্সিল যে তথ্য বিক্রি বা হস্তান্তর করেছে, তা কোন আইনে কীসের মাধ্যমে, কী স্বার্থে করেছে– উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।
তালেবুর বলেন, ২০২২ সালের ৪ অক্টোবর এনআইডি যাচাই নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের মধ্যে চুক্তি হয়। ওই চুক্তি অনুসারে কম্পিউটার কাউন্সিল নির্বাচন কমিশনের তথ্য-উপাত্ত কোনো অবস্থাতেই কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিনিময় বা বিক্রি করতে পারবে না। তা লঙ্ঘন করে কম্পিউটার কাউন্সিল ডিজিকনের সহায়তায় বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে তথ্য বিক্রি করেছে। এতে কারা কীভাবে লাভবান হয়েছে– খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির জন্য নাগরিকদের ৪৬ ধরনের তথ্য নেওয়া হয়।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office