জাতীয় ডেস্ক | বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩ | প্রিন্ট | ১৯৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সংগৃহীত ছবি
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মাসব্যাপী বিশেষ মশকনিধন অভিযানের ১২তম দিনে বিভিন্ন ভবনে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ৯ মামলায় মোট ৬ লাখ ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ডিএনসিসির দশটি অঞ্চলে বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) একযোগে অভিযান পরিচালনা করেছেন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। পুরো জুলাই মাসজুড়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
অঞ্চল-৫ এর আওতাধীন মোহাম্মদপুর বছিলা এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বির আহমেদ এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাসির উদ্দিন মাহমুদ এডিস মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ মশকনিধন অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানে ৫টি ভবনে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং এডিস মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সচেতন করা হয় ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন হয়।
অঞ্চল-৩ এর আওতাধীন পূর্ব নাখালপাড়া এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুলকার নায়ন অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনাকালে বাসাবাড়ি, বাণিজ্যিক ভবন ও নির্মাণাধীন ভবনে, ফাঁকা প্লট, ড্রেন, ঝোপঝাঁড়ে মশকবিরোধী অভিযানে একটি ভবন এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া তিনটি ভবনে লার্ভা পাওয়ায় তিনটি নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন।
অঞ্চল ১ ও ৭ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিয়া আফরীন উত্তরা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে দু’টি বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় দুই মামলায় ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং করে ডেঙ্গুর বিষয়ে সবাই সতর্ক ও সচেতন করা হয়েছে।
এ ছাড়া অঞ্চল-৪ এর আওতাধীন দারুসসালাম এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবেদ আলী অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে প্রায় ৭০টি ভবন, স্থাপনা, জলাশয়, রেস্টুরেন্ট ও দোকানপাট পরিদর্শন করা হয়েছে। একটি নির্মাণাধীন ভবনে লার্ভা পাওয়ায় একটি মামলায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। লার্ভা ধংস করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন উপপ্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. গোলাম মোস্তফা সারওয়ার ও সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাহমুদা আলী।
অঞ্চল-৯ এর আওতাধীন ৩৯, ৪০ ও ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল বাসেত অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ভবন, স্থাপনা, জলাশয়, রেস্টুরেন্ট ও দোকানপাটসহ মোট ৪৬০ টি স্পট পরিদর্শন করা হয়। দু’টি বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ডিএনসিসির দশটি অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে লিফলেট বিতরণ করেন এবং মাইকিং করে জনসাধারণকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সচেতন করেন। বাংলাদেশ স্কাউট ও বিএনসিসির সদস্যরাও ডিএনসিসির কর্মীদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ডেঙ্গুনিয়ন্ত্রণে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
মাসব্যাপী বিশেষ মশকনিধন অভিযান তদারকির জন্য সব বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে দশটি টিম গঠন করা হয়েছে। দশটি টিম প্রতিদিন চলমান অভিযান তদারকি করছে।