| রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট | ৩৬৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
মোঃ মুহিবুর রহমান সুমন। মুহিব সুমন নামেই লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত। আজ তার জন্মদিন। জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে কিছু স্মৃতিকথা লেখতে মন চাচ্ছে।
মুহিব সুমন একজন সৃজনশীল কবি ও কথাসাহিত্যিক এবং কলামিস্ট হিসেবে বেশ পরিচিত নাম। শিক্ষার্থীদের প্রিয় শিক্ষক হিসেবে সুমন মৌলভীবাজার সরকারি স্কুলে সকলের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে।
পড়ালেখায় সুমন যেমন মেধাবী তেমনি মানুষের সাথে তার আচার আচরণ এবং ব্যবহার মুগ্ধ হওয়ার মতো। সামাজিক কর্মকাণ্ডে সে সব সময় এগিয়ে থাকে। মানুষের সহযোগিতা করার জন্য সব সময় সে প্রস্তুত।
এলাকায় সামাজিক উন্নয়নমূূলক যে কোনো কাজে সুমনকে ডাক দিলেই এক বাক্যে হাজির হয়ে যায়। তার বাবা আমাদের শিক্ষক মরহুম শওকত আলী স্যারও ছিলেন এইরকম। সামাজিক কার্যক্রমে নিবেদিত মানুষ।
সুমন এবং আমি শিক্ষাজীবনে কিছুদিন একবাসায় একসাথে ছিলাম মৌলভীবাজার। সুমন ব্যক্তি হিসেবে অনেক ভালো। আমাদের মাঝে সৃজনশীল চিন্তা-চেতনা সবসময় লেগে থাকতো। কাব্যচর্চা হতো রাতের পর রাত।
তখনকার সময় আমাদের বনবিথী এলাকার বাসায় বেশির আগমন ঘটত দেলোয়ার, রাজু, হাসানসহ অনেকের। কি চমৎকার আড্ডা হতো আমাদের। বেশিরভাগ সময় লেখালেখি কে কত ভালো কবিতা লেখছে, যার কবিতা যত ভালো হতো তার কবিতা আবৃত্তি করা হতো।
আমার অনেক কবিতার লাইন এখনো সুমনের এবং দেলোয়ারের মুখস্ত আছে। মৌলভীবাজার সরকারি কলেজে থাকতে আমি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা করতাম। সেই সময় সুমন, দেলোয়ার, রাজু, হাসানসহ অনেকেই আমাকে সহযোগিতা করেছে। সবার কথা খুব মনে পড়ে। রাতে গিয়ে প্রায় সময় হাসানের বাসায় চায়ের আড্ডা হতো সব কিছু খুব মনে পড়ে। হাসানের আম্মা কত ভালো মানুষ ছিলেন তা ভাষা দিয়ে প্রকাশ করা সম্ভব না। সবাইকে ছেলের মতো আদর-স্নেহ করতেন। কখনো বিরক্ত হতেন না।
আজকে আমরা সবাই যারযার প্রয়োজনে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করি। কিন্তু মনের ভেতরে স্মৃতিগুলো এখনও জীবন্ত হয়ে আছে। যে সোনালী দিনগুলো অতিক্রম করেছি তা আর ফেরত পাব না।
জীবনের প্রয়োজনে এখন সবাই আল্লাহর রহমতে যার অবস্থানে বেশ ভালো আছে। এজন্য খুব শান্তি লাগে। আজকের দিনে সুমনকে প্রাণ ভরে দোয়া করি আল্লাহ যেন তোমাকে সফলতার সাথে সামনের দিকে সুস্থ শরীরে এগিয়ে নিয়ে যান। আগামীতে তোমার জন্মদিনে একটি পার্টি হবে ইনশাআল্লাহ।
শুভ কামনায়, তোমার সালাম মাহমুদ ভাই।