শিরোনাম
শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল নয়, দক্ষতা অর্জনে ভাষা শিখতে হবে : ববি হাজ্জাজ রিকশাচালক-মুচিরাও লেনদেন করতে পারবেন বাংলা কিউআর দিয়ে: গভর্নর অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৯ দশমিক ৪০ শতাংশ দক্ষিণ এশিয়ার সেরা জেনারেল ম্যানেজারের স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশের আলমগীর নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ১২ অক্টোবর উৎপাদন শুরুর দুই দিনের মাথায় আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা ভিসা সহজীকরণ ও বাণিজ্য বৃদ্ধি জোরদারে ইন্দোনেশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মাহ্দী আমিনের বৈঠক কালোবাজারে ট্রেনের টিকিট, স্ব উদ্যোগে আদালতের মামলা পপুলার লাইফের ব্যবসা পর্যালোচনা সভা ও বীমা দাবির চেক হস্তান্তর পুরাতন গাড়ির যন্ত্রাংশের আড়ালে বিএমডব্লিউ রেসিং কার ও যন্ত্রাংশ

করোনায় আরও ৮২ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক:   |   রবিবার, ২০ জুন ২০২১   |   প্রিন্ট   |   ২৭৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল আটটা থেকে আজ রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত) করোনাভাইরাস সংক্রমিত ৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এক দিনে করোনায় মৃত্যুর এই সংখ্যা গত দেড় মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৬৪১ জনের।

আজ রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে এক দিনে এর চেয়ে বেশি ৮৮ জনের মৃত্যুর তথ্য এসেছিল গত ২৯ এপ্রিল।

আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল ৩ হাজার ৫৭ জনের। ওই সময় করোনায় মৃত্যু হয়েছিল ৬৭ জনের।

দেশে এ পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ৮ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৮। মোট মৃত্যু হয়েছে ১৩ হাজার ৫৪৮ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৮২ হাজার ৬৫৫ জন।

শেষ ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা বিভাগে। ঢাকা বিভাগে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া রাজশাহীতে ১২ জন, চট্টগ্রামে ৯ জন, ময়মনসিংহে ৪ জন, সিলেটে ২ জন এবং বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ১ জন করে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ২২ হাজার ২৩১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ছিল ১৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বোঝার একটি নির্দেশক হলো রোগী শনাক্তের হার। কোনো দেশে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ দেখা দেয়। পরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। তারপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। গত বছরের শেষ দিকে এসে সংক্রমণ কমতে থাকে।

এ বছরের মার্চ থেকে করোনা সংক্রমণ আবার বেড়ে যায়। মার্চের প্রথমার্ধেই দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হাজারের ওপরে চলে যায়। বাড়তে থাকে মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ২৬ মার্চের বুলেটিনে আগের ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ জনের মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়, সেখানে ১৯ এপ্রিলের বুলেটিনে আগের ২৪ ঘণ্টায় ১১২ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়। দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর ওই দিনই সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়।

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে থাকায় ৫ এপ্রিল থেকে মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়, যা এখনো বহাল। এ বিধিনিষেধে মাঝে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।

তবে গত মাসের মাঝামাঝিতে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ‘লকডাউন’ ঢিলেঢালা হয়ে পড়ে। ঈদকেন্দ্রিক কেনাকাটা ও যাতায়াতে বিপুল লোকসমাগম দেখে জনস্বাস্থ্যবিদেরা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আশঙ্কা করেছিল, ঈদের পর সংক্রমণ আবার বেড়ে যাবে। এদিকে ভারত সীমান্তবর্তী ১৫টি জেলায় রোগী দ্রুত বাড়ছে। কিছুদিন ধরে সারা দেশেও করোনা সংক্রমণ আবার বাড়তে শুরু করেছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office