বিজ্ঞপ্তি | রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট | ৩৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
আন্তর্জাতিক লেনদেন সেবার মান আরও উন্নত করতে নতুন সুইফট কাঠামো গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে সিটি ব্যাংক পিএলসি। এর মাধ্যমে ব্যক্তি গ্রাহক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য আন্তর্জাতিক অর্থ প্রেরণ ও গ্রহণ প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য হবে বলে জানিয়েছে ব্যাংকটি।
রবিবার (১৫ মার্চ) ব্যাংকটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংবাদ বিশ্লেষণ
বিশ্বব্যাপী ৪০টিরও বেশি ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সিটি ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য পূর্ণ অর্থপ্রাপ্তির নিশ্চয়তা, কোনো ধরনের গোপন চার্জ ছাড়াই লেনদেন সম্পাদন এবং সর্বোচ্চ দ্রুততার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সুইফট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রবর্তিত এই কাঠামো ২০২৬ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।উল্লেখ্য, সিটি ব্যাংক ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক লেনদেনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে গ্রাহকদের জন্য উন্নত ট্র্যাকিং সুবিধা চালু করেছে। এর ফলে গ্রাহকরা তাদের প্রেরিত অর্থের বর্তমান অবস্থান তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারবেন, যা লেনদেনে স্বচ্ছতা ও আস্থার মাত্রা বৃদ্ধি করবে।
সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ‘তাৎক্ষণিক বৈশ্বিক অর্থপ্রদান পর্যবেক্ষণ (সুইফট জিপিআই)’ শীর্ষক একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন, সুইফটের ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক প্রধান কিরণ শেঠি এবং সুইফটের হিসাব পরিচালক (ভারত) ও বাংলাদেশ কান্ট্রি ম্যানেজার অর্পিতা ঘোষসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বিদেশে শিক্ষা, চিকিৎসা বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয়ের জন্য অর্থ প্রেরণের ক্ষেত্রে গ্রাহকরা এখন পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে তাদের লেনদেন পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে প্রক্রিয়াগত উন্নয়ন ও স্বয়ংক্রিয় ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উপকারভোগীদের কাছে দ্রুততম সময়ে অর্থ পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা হচ্ছে।
সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন বলেন, “ডিজিটাল যুগে গ্রাহকের প্রত্যাশা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি লেনদেনকে শুধু নিরাপদ নয়, বরং শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত স্বচ্ছ, নির্ভরযোগ্য ও জবাবদিহিমূলক করা।”
সুইফটের ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রধান কিরণ শেঠি বলেন, আন্তর্জাতিক লেনদেনে গ্রাহকদের সর্বোত্তম অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে একীভূতভাবে কাজ করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এই কাঠামো গ্রহণের ফলে আন্তর্জাতিক লেনদেন আরও দ্রুত, সাশ্রয়ী এবং নিরাপদ হবে।
ব্যাংকটির মতে, এই উদ্যোগ সিটি ব্যাংকের চলমান ডিজিটাল রূপান্তর কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, যা বৈশ্বিক উদ্ভাবন ও আধুনিক আর্থিক প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে গ্রাহককেন্দ্রিক ব্যাংকিং সেবাকে আরও শক্তিশালী করবে।