অনলাইন ডেস্ক: | বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১ | প্রিন্ট | ১৯৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
হামলার পর এলাকাটিকে ঘিরে রেখেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
রাজধানী কাবুলে আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বাড়িতে দুঃসাহসিক এক হামলায় কমপক্ষে আটজন নিহত হয়েছে। প্রায় এক বছরের মধ্যে এই প্রথম বন্দুকধারী বিদ্রোহীরা কাবুলে এতো বড় ধরনের বোমা হামলা চালালো।
মঙ্গলবার রাতে যখন এই হামলা চালানো হয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বিসমিল্লাহ খান মোহাম্মদি এসময় বাড়িতে ছিলেন না।
অত্যন্ত সুরক্ষিত গ্রিন জোনের কাছে গাড়ি বোমা ফাটিয়ে ও গুলি চালিয়ে এই হামলা পরিচালনা করে বিদ্রোহীরা ।
কর্মকর্তারা বলছেন, মন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং হামলাকারী চারজন বন্দুকধারীকে হত্যা করা হয়েছে।
তালেবান দাবি করছে যে তারা এই হামলাটি চালিয়েছে।
বিদ্রোহীদের এই দলটি সরকারি নেতাদের ওপর আরো হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে।
তালেবানের যোদ্ধারা যখন বড় বড় তিনটি শহর দখল করার জন্য সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তীব্র লড়াই করছে তখনই তারা খোদ রাজধানীতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বাড়িতে এই হামলা চালালো।
আফগানিস্তানে সহিংসতা অবিলম্বে বন্ধ করার আহবান জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।
বলা হচ্ছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বাড়িতে এই হামলার ঘটনায় আরো ২০ জন আহত হয়েছে।
আফগান পুলিশ বলছে, তারা মন্ত্রীর ভিলাতে প্রবেশ করতে সক্ষম হওয়ার পর পাঁচজন হামলাকারীর মধ্যে চারজনকে হত্যা করেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এটিকে আত্মঘাতী বোমা হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
হামলার খবর পেয়েই বিশেষ বাহিনীগুলো ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যায়।
যেখানে এই হামলাটি চালানো হয় সেটি অত্যন্ত সুরক্ষিত এলাকা গ্রিন জোনের খুব কাছেই। ওই গ্রিন জোনে রয়েছে বহু দূতাবাস এবং সরকারি ভবন।
হামলার পরে সেখানে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বন্দুক-যুদ্ধ চলে বলে জানা গেছে।
হামলার পর প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মি. মোহাম্মদি এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, “চিন্তার কিছু নেই, সবকিছু ঠিক আছে।”
এর কয়েক ঘণ্টা পর কাবুলের বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে আসে ও বাড়ির ছাঁদে জড়ো হয়। সোশাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায় যে এসময় তারা আল্লাহু আকবর বলে স্লোগান দেয়।