শিরোনাম
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান জে-ক্রিয়েশনের পৌনে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে আমন্ত্রণ করেনি ভারত: স্পিকার এমডি-সিইওদের মূল্যায়নের হিসাব নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুঁজিবাজারের উন্নয়নে জ্ঞান, দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বাড়ানো জরুরি গত পাঁচ মাসে হামের টিকা পেয়েছে প্রায় দুই কোটি শিশু গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে: রাষ্ট্রপতি শরীফপুর ইউনিয়নে শামছুল হকের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

ইইউ সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শিগগির

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৫৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ইইউ সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শিগগির

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে শিগগির আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর আগে ইইউর সদস্য দেশগুলোর প্রয়োজনীয় সম্মতি নেওয়া হবে। এরপর দুই পক্ষের কারিগরি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ইইউর রাষ্ট্রদূত ও হেড অব ডেলিগেশনসহ ২৭ সদস্য দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ইইউর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর পথে যেসব বাধা রয়েছে, তার বেশির ভাগই সমাধানের পথে। বিশেষ করে ইইউর উত্থাপিত নন-ট্যারিফ বাধা দূর করতে সরকার কাজ করছে।

বাংলাদেশ ও ইইউর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো এবং ইইউর উত্থাপিত নন-ট্যারিফ বাধা দূর করার অগ্রগতি নিয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

 

এফটিএ নিয়ে প্রথম দফার আলোচনা কবে শুরু হবে এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এরই মধ্যে ইইউর সঙ্গে এফটিএ ও বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি নিয়ে আলোচনার আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্টও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে এ বিষয়ে অভিন্ন স্বার্থের জায়গাগুলো খুঁজে দেখতে প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।

তবে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর আগে ইইউর সদস্য দেশগুলোর সম্মতি প্রয়োজন বলে জানান তিনি। বলেন, চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে এ বিষয়ে সদস্য দেশগুলোর সমর্থন যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এরপর দুই পক্ষের কারিগরি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে প্রাথমিক যোগাযোগ শুরু হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে আমরা ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছি। বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কারণ, ইইউ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য।

 

এদিকে সম্ভাব্য এফটিএ নিয়ে ইইউরও ইতিবাচক সাড়া রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবের পর ইউরোপীয় কমিশন ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সদস্য দেশগুলোর প্রয়োজনীয় অনুমোদন সম্পন্ন হলে চলতি সপ্তাহ থেকেই যৌথ কারিগরি আলোচনা শুরু হতে পারে।

মাইকেল মিলার বলেন, বাংলাদেশ ও ইইউর মধ্যে এফটিএ হলে তা শুধু শুল্ক কমানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ই-কমার্স, মেধাস্বত্বের সুরক্ষা, মানবাধিকারসহ সীমান্তের বাইরের বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ও আলোচনায় আসবে।

 

ইইউ সাধারণত অংশীদারদের সঙ্গে উচ্চাভিলাষী বাণিজ্য চুক্তি করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্ভাব্য এফটিএ নিয়েও বিস্তৃত পরিসরে আলোচনা হবে। যথাসময়ে এসব বিষয়ে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী, ব্যবসায়ী ও অন্য অংশীজনকে বিস্তারিত জানানো হবে।

ইইউ রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, উভয় পক্ষের অর্থনৈতিক সহযোগিতা গভীর করতে স্বচ্ছ, স্থিতিশীল ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায্য প্রতিযোগিতা বজায় থাকলে বাংলাদেশ ও ইইউ উভয়ই লাভবান হবে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে পণ্য আমদানির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সব সময় জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা ও জনগণের প্রয়োজন বিবেচনা করে আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়।

তিনি বলেন, জ্বালানি (এলএনজি) ও খাদ্যশস্য আমদানির ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক মূল্য, পণ্যের গুণগত মান এবং অপচয়ের হার বিশ্লেষণ করে সরকারি ক্রয় কমিটি সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে। বাংলাদেশের বাণিজ্যনীতি কোনো নির্দিষ্ট দেশের প্রভাব দ্বারা পরিচালিত নয়, দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণই সব সিদ্ধান্তের মূল ভিত্তি।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office