অর্থনীতি ডেস্ক | বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২ | প্রিন্ট | ৮০ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সংগৃহীত ছবি
ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী দেশের বেসরকারি সংস্থা বা এনজিগুলো দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে উচ্চ হারে সুদ নিচ্ছে। এটা অনৈতিক, অগ্রহণযোগ্য- এমন উষ্ফ্মা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। গতকাল মঙ্গলবার ‘মাইক্রোফাইন্যান্স ইন বাংলাদেশ (অ্যানুয়াল স্ট্যাটিস্টিক)’ শীর্ষক প্রকাশনার ওপর জাতীয় কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
রাজধানীর সিরডাপ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত কর্মশালায় গভর্নর বলেন, এনজিওগুলোকে প্রফিট মোটিভ থেকে বের হয়ে আসতে হবে। ক্ষুদ্রঋণের সুদ হারের বিষয়টি নিয়ে কাজ করা হবে। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ এবং সভাপতিত্ব করেন মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান মো. ফসিউল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য দেন অথরিটির নির্বাহী পরিচালক লক্ষণ চন্দ্র দেবনাথ। কর্মশালার বিষয়বস্তুর ওপর বিস্তারিত উপস্থাপন করেন অথরিটির পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াকুব হোসেন।
এনজিওগুলোকে প্রফিট মোটিভ থেকে বের হয়ে আসতে হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিদিন ৯০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ বিতরণ করা হয়। করোনার মধ্যেও ক্ষুদ্রঋণ সামনে রেখে প্রচুর অর্থের জোগান দেওয়া হয়েছে।
তবে উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, ব্যাংকগুলো যেখানে যায় না, সেখানে এনজিও কাজ করে। বাংলাদেশে কোনো ক্ষুদ্রঋণদাতা এনজিও ৩৪ শতাংশের বেশি সুদ নেয় না, যা অনেক দেশের তুলনায় কম। উদাহরণ দিয়ে তাঁরা বলেন, ফিলিপাইনে ৬০ শতাংশ সুদ দিতে হয় এবং ভারতে ৩০ শতাংশ। ব্যবস্থাপনা ভালো হওয়ায় এনজিওতে খেলাপি ঋণ নেই বললেই চলে।