শিরোনাম
সোমবার থেকে কাঁচামরিচ আমদানির কার্যক্রম শুরু হবে: কৃষিমন্ত্রী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড়: এনবিআর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন হাকালুকি হাওরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় হাজারো মানুষের ঢল শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান

তাঁত ও কারুশিল্পে সরকারি সহায়তা প্রয়োজন

অর্থনীতি ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ৮৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

সংগৃহীত ছবি

সুতার দাম বেড়ে যাওয়ায় কাপড় ও পোশাক তৈরির ব্যয় বেড়েছে তাঁত, হস্ত ও কারুশিল্পে। অন্যদিকে করোনা এবং মূল্যস্ম্ফীতির প্রভাবে কমেছে পণ্য বিক্রি। এ অবস্থায় ব্যবসা টিকিয়ে রাখার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে অনেক প্রতিষ্ঠান। ঝুঁকিতে থাকা এসব ব্যবসা উদ্যোগকে টিকিয়ে রাখতে সরকারের নীতি ও আর্থিক সহায়তা দরকার।
গত মঙ্গলবার এফবিসিসিআইর ‘স্ট্যান্ডিং কমিটি অন হ্যান্ডিক্র্যাফটস, হ্যান্ডলুম, কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজ, এথনিক অ্যান্ড ট্রাইবাল প্রডাক্টসের সভায় এসব কথা উঠে আসে। সভায় কমিটির সদস্যরা দেশে-বিদেশে কারুপণ্যের মেলা আয়োজনে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোকে (ইপিবি) সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআইর সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু। তিনি বলেন, দেশে-বিদেশে আয়োজিত মেলাগুলোতে কেবল পণ্য বিক্রির মানসিকতা নিয়ে গেলে হবে না। মেলার উদ্দেশ্য পণ্য বিক্রি নয়, সেখান থেকে ক্রয়াদেশ নিয়ে আসতে হবে।
তাঁত, হস্ত ও কারুশিল্পের সংকট নিরসনে উদ্যোক্তাদের লিখিত প্রস্তাব জমা দেওয়ার আহ্বান জানান এফবিসিসিআইর সহসভাপতি আমিন হেলালী। তিনি বলেন, কী ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে সেটা উদ্যোক্তারাই ভালো বলতে পারবেন। প্রতিকার চেয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সেগুলো তুলে ধরা হবে।

সরকারের নীতিগত এবং আর্থিক সহায়তা পেলে এসএমই উদ্যোক্তারা বর্তমান সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবেন বলে জানান কমিটির ডিরেক্টর ইনচার্জ আলী হোসেন শিশির।
কমিটির চেয়ারম্যান রাশেদুল করিম মুন্না তাঁত, হস্ত ও কারুশিল্পের জন্য আগামী পাঁচ থেকে সাত বছরের কর্মকৌশল নির্ধারণ করে উদ্যোক্তাদের অগ্রসর হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জেলা পর্যায়ে যেসব উদ্যোক্তা আছেন তাদের উৎপাদিত পণ্য যাতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাজারজাত করা যায় সে লক্ষ্যে গবেষণা দারুণ কাজ দিতে পারে। তিনি বলেন, আমাদের প্রতিযোগী দেশগুলো পণ্যের মানোন্নয়নে গবেষণা ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বাংলাদেশ সেদিকে গেলে পণ্য রপ্তানি বাড়বে। এ ক্ষেত্রে সরকার এবং অন্যান্য যেসব সংস্থা কাজ করে তাদের মধ্যে সমন্বয় করে নীতি কৌশল প্রণয়ন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব স্মল অ্যান্ড কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশের সভাপতি মির্জা নুরুল গনি শোভন,

এফবিসিসিআইর পরিচালক হাফেজ হারুন, মহাসচিব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, কমিটির কো-চেয়ারম্যান মো. শাহিন আহমেদ, মামুনর রশিদ, বিপ্লব সাহা প্রমুখ।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office