শিরোনাম
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান জে-ক্রিয়েশনের পৌনে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে আমন্ত্রণ করেনি ভারত: স্পিকার এমডি-সিইওদের মূল্যায়নের হিসাব নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুঁজিবাজারের উন্নয়নে জ্ঞান, দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বাড়ানো জরুরি গত পাঁচ মাসে হামের টিকা পেয়েছে প্রায় দুই কোটি শিশু গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে: রাষ্ট্রপতি শরীফপুর ইউনিয়নে শামছুল হকের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মিধিলি: সাতক্ষীরায় ৩ থেকে ৫ ফুট জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা

জাতীয় ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ২১৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মিধিলি: সাতক্ষীরায় ৩ থেকে ৫ ফুট জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা

সংগৃহীত ছবি

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি নিম্মচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরো ঘনীভূত হয়ে ১৭ নভেম্বর সকালে ঘূর্ণিঝড় মিধিলি-তে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় মিধিলি মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন।

ইতোমধ্যে জেলার ২৭০টি আশ্রয় কেন্দ্রের পাশাপাশি বিভিন্ন দ্বিতল মসজিদ, পাকা স্থাপনাসহ সহস্রাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বিকল্প আশ্রয়ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। সেই সাথে সাতক্ষীরা উপকূলের আশাশুনি, শ্যামনগর ও কালিগঞ্জে বেড়িবাধের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলো চিহ্নিত করে সংস্কারসহ পযাপ্ত জিও বালুর বস্তা প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় জেলা প্রশাসক হুমায়ন কবির এ তথ্য জানান।

এসময় ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে সাতক্ষীরা উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি ৩-৫ ফুট জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা রয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের ঝড়ের পূর্বেই সংকেত অনুযায়ী মানুষকে নিরাপদে আশ্রয় কেন্দ্রে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একই সাথে প্রত্যেক ইউনিয়নে মেডিকেল টিম প্রস্তুতকরণ, পর্যাপ্ত শুকনো খাবার ও খাবার পানি মজুদ রাখা, দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে উদ্ধার কার্যক্রম চালানোর জন্য ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সাথে উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাধ নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া শ্যামনগর উপজেলায় ২ হাজার ৯৮০ জন এবং আশাশুনি উপজেলায় ১ হাজার ২০ জন সিপিপি সদস্য এবং রেডক্রিসেন্ট ও অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় শুরু হওয়ার পূর্বে প্রতিবন্ধী, বৃদ্ধ, শিশু ও গর্ভবতী নারীসহ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে উদ্ধার করে আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর এবং শিশু ও নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে উদ্ধারকারী নৌযান হিসেবে স্পিডবোট, প্রয়োজনীয় সংখ্যক ইঞ্জিনচালিত নৌকা/ট্রলার এবং জলযান প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে।

এছাড়া সকল উপজেলার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স টিমের সদস্যদের ঝড়ের পরে রাস্তায় গাছ পড়লে তা অপসারণে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও কর্মী বাহিনীসহ প্রস্তুত রাখতে হবে বলা হয়েছে। সভায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office