শিরোনাম
সোমবার থেকে কাঁচামরিচ আমদানির কার্যক্রম শুরু হবে: কৃষিমন্ত্রী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড়: এনবিআর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন হাকালুকি হাওরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় হাজারো মানুষের ঢল শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান

নতুন নোটে বান্ডেলপ্রতি বাড়তি  ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৩৫ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও কদর বেড়েছে নতুন নোটের। তবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকার সুযোগ নিচ্ছেন একশ্রেণির মৌসুমি ব্যবসায়ী। রাজধানীর খোলা বাজারে নতুন নোট কিনতে গিয়ে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে বড় অঙ্কের অতিরিক্ত টাকা। আইনত দণ্ডনীয় হলেও রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে প্রকাশ্যেই চলছে নতুন টাকার এই কেনাবেচা।

 

বুধবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর গুলিস্তান স্পোর্টস মার্কেট-সংলগ্ন ফুটপাত ঘুরে দেখা গেছে, সারি সারি অস্থায়ী দোকানে সাজানো রয়েছে বিভিন্ন মূল্যমানের নতুন নোটের বান্ডেল।

দুই টাকা থেকে শুরু করে এক হাজার টাকা– সব নোটই মিলছে এখানে। তবে প্রতিটি বান্ডেলের জন্য দিতে হচ্ছে বাড়তি চড়া দাম।চড়া মূল্যে বিকোচ্ছে ছোট নোটবাজারে এখন সবচেয়ে বেশি চাহিদা ৫, ১০ ও ২০ টাকার নতুন নোটের। পাশাপাশি ২, ৫০ ও ১০০ টাকার নতুন নকশার নোটও বিক্রি হচ্ছে। তবে নতুন নকশার নোটগুলোর ক্ষেত্রে বাড়তি টাকার পরিমাণ আরও বেশি।

বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বান্ডেলে ১০০টি নোট থাকে। কেউ বান্ডেল নিতে না চাইলে তিনি ১ হাজার বা তার মন মতো করেও নতুন টাকার নোট নিতে পারেন। এক্ষেত্রেও বাড়তি টাকা দিতে হবে।

 

২ টাকার নতুন বান্ডেলে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, ৫ টাকার বান্ডেলে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, ১০ টাকার বান্ডেলে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, ২০ টাকার বান্ডেলে ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা এবং ৫০ টাকার বান্ডেল ৫০০ থেকে ৬০০ অতিরিক্ত নেয়া হচ্ছে। ১০০ টাকার বান্ডেলেও অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে ৬০০ টাকা।

এ ছাড়া ২০০, ৫০০ ও ১ হাজার টাকার নোট কিনতেও ক্রেতাদের দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

শাহেদ মিয়া নামের এক বিক্রেতা ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘ব্যাংক বন্ধ থাকায় গতকাল থেকে ক্রেতা বেশি আসছে। তবে বিক্রি এখনো আশানুরূপ নয়।’

 

বান্ডেলপ্রতি অতিরিক্ত দাম নেওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, তাদেরও চড়া মূল্যে এসব নোট সংগ্রহ করতে হয়। লাভ না করলে ঈদের খরচ চালানো সম্ভব নয় বলে তার দাবি।

এবার সাধারণ মানুষের জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে নতুন নোট ছাড়েনি বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে সাধারণ মানুষ ব্যাংক থেকে নতুন নোট সংগ্রহ করতে না পেরে ভিড় করছেন ফুটপাতের এই অস্থায়ী বাজারগুলোতে। আজিজ নামের এক ক্রেতা জানান, ছোট ভাই ও ভাতিজাদের সালামি দেওয়ার জন্য তিনি ২ হাজার টাকার নতুন নোট কিনেছেন। দাম বেশি হলেও শখের বশে বাধ্য হয়েই তা কিনতে হয়েছে।

আরেক ক্রেতা বাবলু হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, ‘ব্যাংকে গেলে নতুন নোট পাওয়া যায় না, আবার কাঙ্ক্ষিত নোটের বান্ডেলও মেলে না। তাই বাধ্য হয়েই বাড়তি টাকা দিয়ে এখান থেকে কিনতে হচ্ছে।’

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office