জাতীয় ডেস্ক | বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | প্রিন্ট | ৮৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সংগৃহীত ছবি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের প্রণোদনা দিচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকার। মাঠে কাজ করা ও ফসল ফলানো গৌরবের বিষয়। সেভাবে মানুষকে সম্পৃক্ত করতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ যেন খাদ্যে কষ্ট না পায় সেটাই সরকারের লক্ষ্য।’
বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির শাসনামলের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, তাদের আমলে সারের দাবি করায় কৃষককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে সার যেন কৃষকের দোড়গোড়ায় যায় সেই ব্যবস্থা নিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরির আন্দোলন করতে গেলে ১৭ জন শ্রমিককে রমজান মাসে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। আমরা সমস্ত জায়গায় ছুটে যাই। তখন থেকে আমাদের প্রতিজ্ঞা ছিল কৃষককে সারের পেছনে ছুটতে হবে না। সার কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে। আমরা সেই ব্যবস্থা করেছি।’
শেখ হাসিান বলেন, বিদেশিদের ওপর নির্ভর করে চলবে না বাংলাদেশ। প্রত্যেকটা পরিবারকে আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার।
‘মোবাইল ফোন সবার হাতে পৌঁছে দিয়েছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশটা এগিয়ে যাচ্ছে। এগিয়ে যাবে, সেটাই আমরা চাই।’
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের পাঁচটি প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগে কৃষি কাজ করতে তরুণ-যুবকরা লজ্বাবোধ করত। আমরা সেই লজ্জা ভেঙ্গে দিয়েছি। আগে কৃষক পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করত। এখন গর্ববোধ হয়। বলেন, আমি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদেরও মাঠে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। তারা মাঠে গিয়ে কৃষকের ধান কেটে দিয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, কানাডার গ্লোবাল ইনস্টিটিউট অব ফুড সিকিউরিটির (সিইইউ) নির্বাহী পরিচালক ড. স্টেভিন ওয়েব, ফিলিপাইনের ইন্টারন্যাশনাল রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর জেনারেল ড. জেইন বালিই, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তার।