শিরোনাম
সোমবার থেকে কাঁচামরিচ আমদানির কার্যক্রম শুরু হবে: কৃষিমন্ত্রী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ করছাড়: এনবিআর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন হাকালুকি হাওরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় হাজারো মানুষের ঢল শাহ আমানতে ৪২৭ গ্রাম সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে চিকিৎসকদের : ভূমিমন্ত্রী চক্রান্ত না করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করুন : তথ্যমন্ত্রী বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব হিসেবে যোগ দিলেন ড. সাহেদুল ইসলাম ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান

মেয়াদ শেষ হলেও কাজ শুরু হয়নি ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের

অর্থনীতি ডেস্ক   |   মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ১০৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

Default Image

সংগৃহিত ছবি

রাজধানীর সঙ্গে দেশের ৩০টি জেলাকে সংযুক্ত করেছে আবদুল্লাহপুর-আশুলিয়া-বাইপাইল-চন্দ্রা করিডোর। এতগুলো জেলার সঙ্গে সংযোগের কারণে প্রায়ই এসব এলাকায় লেগে থাকে দীর্ঘ ও অসহনীয় যাজনট। তৈরি পোশাক কারখানা অধ্যুষিত হওয়ায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমও মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এ নিয়ে উদ্যোক্তারা সরকারের কাছে বহুবার ধরনা দিয়েছেন। সার্বিক গুরুত্ব বিবেচনায় যানজট কমাতে এবং ঢাকার সঙ্গে দ্রুত সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে এই করিডোরে ২৪ কিলোমিটার সড়ক এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প নেওয়া হয় ২০১৭ সালে। প্রকল্পের নথিপত্র অনুসারে, আগামী জুন মাসেই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটির কাজ শেষ হওয়ার কথা। অথচ পাঁচ বছরে নির্মাণকাজ এক ইঞ্চিও এগোয়নি। মেয়াদ শেষ হতে চললেও এর কাজই শুরু হয়নি। মাঝখানে ব্যয় হয়ে গেছে এক হাজার ৪০৩ কোটি টাকা।

তবে সময় এবং অর্থ বাড়িয়ে দিলে কাজটি শেষ করার বিষয়ে আশাবাদী বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। পরিকল্পনা কমিশনও এ সম্পর্কিত প্রস্তাবে সায় দিয়েছে। সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদনের সুপারিশ করেছে কমিশন। আগামীকাল বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে অনুমোদনের জন্য সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হবে।

ওই প্রস্তাবনা অনুসারে, প্রকল্পের সময় বাড়বে চার বছর। আগামী ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাস্তবায়নের সময় চাওয়া হয়েছে। অর্থাৎ সবমিলিয়ে সময় লাগবে ৯ বছর। বাড়তি ব্যয় গুনতে হবে ৬৫২ কোটি টাকা। এতে মোট ব্যয় গিয়ে ঠেকবে ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকায়।

চীন সরকার এই প্রকল্পে ঋণ দিচ্ছে। সংশোধিত প্রকল্পে ৯ হাজার ৬৯২ কোটি টাকা ধরা হয়েছে এই ঋণ থেকে। বাকি সাত হাজার ৮৬০ কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব। চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) প্রকল্পটিতে রয়েছে তিন হাজার ৫৫২ কোটি টাকা। আগামী এডিপিতে তিন হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

মেয়াদ শেষ হতে চললেও কেন প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরুই করা যায়নি- জানতে চাইলে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগ সদস্য মামুন-আল-রশীদ গতকাল বলেন, প্রকল্পে বড় অঙ্কের ঋণ দিচ্ছে চীন সরকার। ঋণ পেতে দুই সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় অনেক সময় ব্যয় হয়েছে। কথা ছিল নির্দিষ্ট বাজেটের মধ্যে তাদের ঠিকাদার দিয়ে প্রকল্পের নির্মাণকাজ করা হবে। এ ছাড়া মূল প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) বৈদেশিক ঋণের শতভাগই বাণিজ্যিক চুক্তির (কমার্শিয়াল কন্ট্রাক্ট অ্যামাউন্ট) মাধ্যমে সংস্থানের কথা বলা হয়। পরে দেখা গেল এ ধরনের ঋণ কখনোই শতভাগ এভাবে নেওয়া হয় না। এ কারণে শেষ পর্যন্ত ৮৫ শতাংশের মীমাংসায় আসতে হয়েছে। আবার ভূমি অধিগ্রহণেও জটিলতা ছিল। এসব কারণে সময়মতো কাজ শুরু করা যায়নি।

কাজ শুরু না হলেও এক হাজার ৪০৩ কোটি টাকা ব্যয় হলো কীভাবে- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভূমি অধিগ্রহণে কিছু অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ডলারের বিপরীতে টাকার মান পতনের কারণেও প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে। প্রকল্প নেওয়ার সময় ডলারের বিনিময় হার ধরা হয়েছিল আশি টাকা ৬০ পয়সা। সংশোধিত ডিপিপিতে ডলার প্রতি টাকার দর ধরা হয়েছে ৮৬ টাকা।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন ajkersanglap.com-এর খবর

Editor and Publisher
Muhammad Abdus Salam (Salam Mahmud)
Office